শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই হাসানাত আবদুল্লাহসহ ৪ জনের বিচার শুরু
মে ২০ ২০২৬, ১৬:০৩
বুধবার বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন। মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ মোট চারজনকে আসামি করা হয়েছে।
আসামিদের মধ্যে উজিরপুর থানার সাবেক এএসআই মো. মাহাবুল ইসলাম ও এএসআই জসিম উদ্দিন বর্তমানে গ্রেপ্তার আছেন। অন্যদিকে সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এবং বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার এহসান উল্লাহ পলাতক রয়েছেন।
মামলার দুই নিহত ব্যক্তি হলেন আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।
আদালতে গ্রেপ্তার দুই আসামিকে হাজির করা হলে প্রসিকিউশন পক্ষ তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ পড়ে শোনায়। অভিযোগ স্বীকারের বিষয়ে জানতে চাইলে তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। এরপর ট্রাইব্যুনাল আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করার আদেশ দেন।
এ সময় প্রসিকিউশনের পক্ষে ফারুক আহাম্মদ, সহিদুল ইসলাম সরদারসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। আসামিপক্ষের আইনজীবীরাও শুনানিতে অংশ নেন।
এর আগে ১৪ মে শুনানিতে গ্রেপ্তার দুই আসামির পক্ষে আইনজীবী আবুল হাসান দাবি করেন, তাদের মক্কেলরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন এবং এটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ। একইভাবে পলাতক আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আমির হোসেনও তাদের অব্যাহতির আবেদন জানান।
অন্যদিকে প্রসিকিউশন পক্ষ দাবি করে, মামলায় পর্যাপ্ত প্রমাণ রয়েছে এবং আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হওয়া উচিত। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত এ দিন আদেশ দেন।
প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, নিহত টিপু হাওলাদার ও কবির মোল্লা ছিলেন আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী। তাদের সরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে একটি পরিকল্পনা করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে তৎকালীন পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। এরপর ২০১৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি মিথ্যা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার করে উজিরপুর থানা পুলিশ। পরে আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের পাশে কথিত ক্রসফায়ারের ঘটনায় তাদের হত্যা করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।









































