বাউফলে এক মাদ্রাসার শিক্ষক আরেক মাদ্রাসায় ঢুকে শিশু শিক্ষার্থীকে মারধর

জুন ২২ ২০২৩, ১৮:৩৯

 মোঃ জসীম উদ্দিন,বাউফল (পটুয়াখালী): পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় এক মাদ্রাসার শিক্ষক আরেক মাদ্রাসায় ঢুকে ওই মাদ্রাসার মো. হাসান (১২) নামে এক শিশু শিক্ষার্থীকে মারধর করে রক্তাক্ত জখম করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত ওই শিশু শিক্ষার্থীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় আহত শিশু শিক্ষার্থীর বাবা মো. মফিজ গাজী ওই শিক্ষকের নামে বাউফল থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। বাউফল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবুল বশার বলেন,‘এ বিষয়ে বুধবার (২১ জুন) রাতে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। আজ (বৃহস্পতির) বিকেলে সরেজমিন তদন্তে যাব এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

স্থানীয় বাসিন্দা ও লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে,নাজিরপুর ইউনিয়নের বড় ডালিমা গ্রামে বাইতুন হিকমাহ মডেল মাদ্রাসার হেফ্ধসঢ়;জ শ্রেণির ছাত্র হাসানের সঙ্গে গতকাল বুধবার সকালে পাশের ছোট ডালিমা গ্রামের সেরাজ বিশ্বাস লাইজু বেগম নূরানী ক্যাডেট মাদ্রাসার নূরানী শ্রেণির ছাত্র মো. জাকারিয়ার (৭) মধ্যে হাতা-হাতি হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই দিন বিকেল চারটার দিকে সেরাজ বিশ্বাস লাইজু বেগম নূরানী ক্যাডেট মাদ্রাসার শিক্ষক মো. আলী আকবর (৪০) বাইতুন হিকমাহ মডেল মাদ্রাসায় ঢুকে হাসানকে এলোপাতাড়ি চড়-থাপ্পর মেরে আহত করে।

এতে হাসানের কান দিয়ে রক্ত পড়ে। তাকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বাইতুন হিকমাহ মডেল মাদ্রাসার শিক্ষক মো. মোজাহিদুল ইসলাম বলেন,‘ঘটনার সময় তিনি শৌচাগারে ছিলেন। ডাক-চিৎকার শুনতে পান। পরে দেখতে পান হাসান কাঁদছে, আর আলী আকবর বেড়িয়ে যাচ্ছেন।’

আহত শিশু হাসানের বাবা মো. মফিজ গাজী বলেন,‘তাঁর ছেলের অপরাধ থাকতে পারে, তা-ই বলে আরেক মাদ্রাসার শিক্ষক সন্ত্রাসী কায়দায় তাঁর ছেলেকে মেরে রক্ত ঝড়াবে, এটা কেমন বিচার? এ কারণে তিনি থানায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন। এ বিষয়ে আলী আকবরের মুঠোফোনে সাংবাদিকরা অসংখ্যবার ফোন করলে তিনি ধরেননি এবং পরে ক্ষুদেবার্তা দিলেও সাড়া দেননি।

সংবাদটি শেয়ার করুন....

আমাদের ফেসবুক পাতা

আজকের আবহাওয়া


এক্সক্লুসিভ আরও