দুর্গাপূজার ছুটিতে কুয়াকাটার আবাসিক হোটেলের ৫০% কক্ষ অগ্রীম বুকিং
অক্টোবর ০৯ ২০২৪, ১৮:১৫
কুয়াকাটা প্রতিনিধি।। পটুয়াখালীর কুয়াকাটা শারদীয় দূর্গাপুজা উপলক্ষে ১০-১৩ অক্টোবর পর্যন্ত চারদিন সরকারি ছুটিকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছে পর্যটন ব্যবসায়ীরা। ইতোমধ্যে ৫০ শতাংশ কক্ষ অগ্রীম রুম বুকিং হয়েছে হোটেল রিসোর্টগুলোতে।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি সাগরকন্যা কুয়াকাটায় গত ৫ই অক্টোবর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি পরিবর্তনের পরে পর্যটন নগরী শূন্য হয়ে পরে। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার সাথে সাথে পর্যটকও কিছুটা বাড়তে থাকে।
হিন্দু ধর্মের এই বড় অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে প্রথম শ্রেণীর হোটেল ৬০ শতাংশ এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির হোটেলগুলো ৫০ শতাংশ রুম বুকিং হয়েছে।
স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, পাখিমারা থেকে আলীপুর থ্রি পয়েন্ট পর্যন্ত ১১ কিলোমিটার রাস্তা খুবই খারাপ। রাস্তাটির কাজ ইতিমধ্যে শুরু হলেও মাত্র ১ কিলোমিটার সম্পন্ন হয়েছে বাকি কাজ অসমাপ্ত থাকায় আশানুরূপ পর্যটক না হওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইব্রাহিম ওয়াহিদ বলেন, চলতি বছরের মে মাস থেকে হোটেল সেক্টরে লোকসান, তবে এই পূজা উপলক্ষে শুক্রবার-শনিবার ৫০ শতাংশ রুম অগ্রিম বুকিং হয়েছে।
শিকদার রিসর্টের জিএম আনোয়ারুল আজিম বলেন, আগামী চারদিনের ছুটিকে সামনে রেখে দুইদিনের জন্য আমাদের হোটেলের রুমগুলো ৬০ শতাংশ বুকিং হয়েছে। বাকি দিনগুলো আশানুরুপ বুকিং হয়নি।
কুয়াকাটা ট্যুরিজম ম্যানেজমেন্ট এসোসিয়েশন (কুটুম ) সাধারণ সম্পাদক হোসাইন আমির বলেন, কুয়াকাটায় সর্বমোট ২০০টি আবাসিক হোটেল-মোটেল রয়েছে।
তার মধ্যে আগামি ১০-১৩ তারিখের পর্যটকদের বেশ সারা পাওয়া যাচ্ছে। আগত পর্যটকদের সেবা নিশ্চিত করার জন্য ব্যবসায়ীরা প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
এ বিষয়ে কুয়াকাটা হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোতালেব শরীফ বলেন, পূজা উপলক্ষে বুকিং এর সারা বেশ ভালোই আছে।
তবে বরাবরের ন্যায় আমরা ৪০শতাংশ ডিসকাউন্ট দিয়েছি। সমুদ্র সৈকত উপভোগে আসা বিশ-ত্রিশ হাজার পর্যটকদের রাত্রিযাপনের জন্য ব্যবস্থা রয়েছে বর্তমানে । তবে পর্যটক বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিনিয়োগকারীরও প্রতিনিয়ত আসতে শুরু করেছে কুয়াকাটায়।
ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা রিজিয়নের পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদ বলেন, হিন্দুদের বড় ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে কুয়াকাটায় অসংখ্য পর্যটকের আগমন ঘটবে ।
যে কারণে বরিশাল থেকে আসা অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন থাকবে। ট্যুরিষ্ট পুলিশ যথাযথ তৎপর রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। পাশাপাশি সার্বক্ষণিক নজড়দারি ও মাইকিংসহ পর্যটকদের নিরাপদে থাকার নির্দেশ দেয়া হচ্ছে।








































