ভারতীয় কূটনীতিককে দেশ ছাড়ার নির্দেশ কানাডার
ভারতীয় কূটনীতিককে দেশ ছাড়ার নির্দেশ কানাডার
সেপ্টেম্বর ১৯ ২০২৩, ১৭:৪৫
নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাডায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনের এক শীর্ষ কূটনীতিককে দেশ ছাড়ার নির্দেশ প্রদান করেছে কানাডা। শিখ নেতা হারদিপ সিং নিজ্জার হত্যার পেছনে তার ইন্ধনের বিষয়ে তথ্য মিলেছে এমন দাবি করে এই নির্দেশনা প্রদান করেছে কানাডা। সেই সঙ্গে দেশটির পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো জানায়, এই হত্যাকাণ্ডে ভারত সরকারের হাত থাকতে পারে। এরপরেই ভারতের এই শীর্ষ কূটনীতিককে বহিষ্কারের নির্দেশ প্রদান করা হয়।
চলতি বছর জুন মাসে ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী শিখ নেতাকে খুন করা হয়। ওই কূটনীতিক হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। কানাডার বক্তব্য, এ হত্যাকাণ্ড তাদের দেশের সার্বভৌমত্বের বিরোধী। কোনোভাবেই এ ঘটনা তারা মেনে নেবে না। সে কারণেই ওই কূটনীতিককে দ্রুত দেশ ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় স্বয়ং কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো মুখ খুলেছেন। তিনি বলেন, আমি যা বলব তা হয়তো অনেকের পছন্দ হবে না। কিন্তু তদন্তে ভারতীয় কূটনীতিকের এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। তদন্ত এখনও চলমান রয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসনের উদ্ধৃতি দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, তদন্ত অনেকটাই এগিয়েছে। ঘটনা প্রমাণ হলে তা দুই দেশের সম্পর্কে যথেষ্ট প্রভাব ফেলবে বলেই মনে করছে কানাডা।
চলতি বছর জুনে ব্রিটিশ কলম্বিয়ায় একটি গুরুদুয়ারার সামনে খুন হন ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী শিখ নেতা হরদীপ সিং নিজ্জর। ওই নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, পৃথক শিখ রাষ্ট্রের জন্য (খালিস্তান আন্দোলন) তিনি লড়াই করছিলেন ও উসকানি দিয়ে আসছিলেন। প্রাথমিকভাবে এ ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত সেটি স্পষ্ট হয়নি। কিন্তু যতদিন গেছে, ততই এর সঙ্গে ভারতীয় কূটনীতিকের জড়িত থাকার বিষয়টি তদন্তে উঠে আসে বলে কানাডার বেশ কিছু গণমাধ্যমে জানানো হয়।
এদিকে এক বিবৃতিতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জি-২০ বৈঠকে ক্যানাডার প্রধানমন্ত্রীকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানিয়েছেন, কানাডা শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মুক্ত ক্ষেত্র হয়ে উঠছে। ভারত বিষয়টিকে ভালো চোখে দেখছে না। শুধু তাই নয়, ভারতের দাবি, কানাডার অভিযোগ ভিত্তিহীন ও অগ্রহণযোগ্য। প্রমাণ ছাড়াই অভিযোগ করা হচ্ছে।








































