রাঙ্গাবালীতে আমনের চারা রোপণে ব্যস্ত চাষি

সেপ্টেম্বর ০১ ২০২৩, ১৮:৪০

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: রাঙ্গাবালীতে বোরো ধানের বাম্পার ফলনের পর এখন আমন ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক। এরই মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ জমিতে আমন ধানের চারা রোপণ সম্পন্ন হয়েছে। দুই সপ্তাহের মধ্যে বাকি জমিতেও চারা রোপণের কাজ শেষ হবে বলে জানান তারা।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে চলতি মৌসুমে ৩০ হাজার ১৬০ হেক্টর জমিতে ধান রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথম ধাপে ১৯০০ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরি করা হয়েছিল। টানা বর্ষণে ১৬০০ হেক্টর জমির বীজতলা নিমজ্জিত হয়।

এর মধ্যে ৩০০ হেক্টর জমির বীজতলা একেবারেই নষ্ট হয়ে যায়। বাকি যা টিকে ছিল, তা দিয়েই চাষাবাদ করেছেন কৃষক। এজন্য বীজতলার সংকটের আশঙ্কা স্থানীয় কৃষকদের।

চাষিরা বলছেন, ভাদ্র মাসে নতুন করে বীজতলা তৈরি করে সেই চারা লাগানো সম্ভব না। তাই আমরা অনেকেই নতুন করে বীজ তৈরি করিনি। কারো বাড়তি থাকলে, তাই ধার নিয়ে চারা রোপণ করছেন।

কৃষি অফিস থেকে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কৃষকরা হালচাষ করছেন, কেউ জমির আইল কাটছেন, কেউ বীজতলা তুলছেন, কেউ চারা রোপণে ব্যস্ত। কৃষকরা আশা করছেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার জমিতে ধান ভালো হবে।

কৃষকরা জানান, বোরো মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ধানের বেশ ভালো ফলন হয়েছিল, বাজারে দামও মিলছিল বেশ। কৃষকরা আরো জানান, যেকোনো সময় পানিতে জমি তলিয়ে গেলে ধান লাগানো মুশকিল হয়ে পড়বে।

এ ছাড়া বর্তমানে জমিতে যে পরিমাণ পানি রয়েছে, তা ধান রোপণের উপযুক্ত। আবার বৃষ্টি না হলে জমির পানি শুকিয়ে গেলে ধান রোপণে বিড়ম্বনায় পড়তে হবে। তাই ব্যস্ত হয়ে আমন ধান রোপণ করছেন তারা।

এ বিষয়ে কৃষি কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, অতিবৃষ্টির পরে উপপরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, পটুয়াখালীর সহায়তায় উপজেলা কৃষি অফিস, রাঙ্গাবালী থেকে প্রায় ৬০০ কেজি বীজ কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ করেছি। উপজেলায় প্রায় ২১০০০ হেক্টর জনিতে ধান রোপণ করা হয়েছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সম্পূর্ণ জমিতে চারা রোপণ হবে বলে আশা করছি। লক্ষমাত্রা অর্জনে এখনো শতভাগ আশাবাদী।

সংবাদটি শেয়ার করুন....

আমাদের ফেসবুক পাতা

আজকের আবহাওয়া


এক্সক্লুসিভ আরও