রাজপথের রাজনীতি নয়, পার্লামেন্টে ফিরতে হবে: তথ্যমন্ত্রী
আগস্ট ০৫ ২০২৬, ২১:৫২
বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে বরিশাল নগরের আমতলা মোড়ে অবস্থিত জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, আমাদের নেতা দেশনায়ক তারেক রহমান ক্ষমতায় আসার আগেই গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের কাঠামোর কথা ঘোষণা করেছিলেন। আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে তিনি বলেছিলেন-‘ফয়সালা হবে কোন পথে? ফয়সালা হবে রাজপথে।’ শেষ পর্যন্ত রাজপথেই ফ্যাসিবাদের পরাজয় হয়েছে। সেই বিজয়ের ধারাবাহিকতায় আমরা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অধিকার অর্জন করেছি এবং সেই নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ বর্তমান সরকারকে নির্বাচিত করেছে।
তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, শহীদদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই সংসদ একটি কার্যকর সংসদে পরিণত হবে। আন্দোলনে অংশ নেওয়া সব গণতান্ত্রিক শক্তি এই বিজয়কে ধারণ করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে। মতপার্থক্য থাকতেই পারে, তবে তা সংসদের বিতর্কের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত।
তিনি আরও বলেন, যারা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে পার্লামেন্টের বদলে রাজপথে নেওয়ার অপচেষ্টা করছেন, তারা শহীদদের আত্মত্যাগের প্রকৃত মূল্য বুঝতে পারছেন না। যারা শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক বিতর্কের পরিবর্তে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছেন, তারাও ভুল করছেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমানের পক্ষ থেকে এই শহীদ বেদিতে দাঁড়িয়ে আমি সব গণতান্ত্রিক শক্তির প্রতি আহ্বান জানাই—যে ঐক্যের মাধ্যমে আমরা ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করেছি এবং যে ঐক্যের মাধ্যমে শহীদদের রক্তের বিনিময়ে সংসদ পেয়েছি, আসুন সেই সংসদকেই রাজনীতির একমাত্র কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করি। এর ব্যত্যয় জনগণ মেনে নেবে না।
তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই শহীদদের আত্মত্যাগের যথাযথ মর্যাদা নিশ্চিত করা সম্ভব। এর বিকল্প কোনো পথ নেই। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত দল, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিকশিত দল এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত দল এ লক্ষ্যে অঙ্গীকারবদ্ধ। আমরা শান্তিপূর্ণ উপায়ে সব সমস্যার সমাধান করতে চাই। তবে অনৈতিক কর্মকাণ্ড যদি বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে শহীদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করা হবে।








































