দাম বেড়েছে মুরগি ও মসলার
মার্চ ০৬ ২০২৬, ১৩:১২
রাজধানীর বাজারগুলোতে কিছু নিত্যপণ্যের দামে কিছুটা স্বস্তি মিললেও নতুন করে বেড়েছে মুরগি ও মসলার দাম। ঢাকার খুচরা বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম আবারও কেজিপ্রতি ২০০ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। তবে ইফতারের প্রয়োজনীয় অনুষঙ্গ লেবু ও শসার দাম গত সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা কমেছে।
শুক্রবার রাজধানীর মিরপুরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মাছ, সবজি ও গরুর মাংসের দাম স্থিতিশীল রয়েছে।
প্রতি কেজি গরুর মাংস মানভেদে ৭৫০ থেকে ৮২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। স্বস্তির খবর হলো, পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ টাকা কমে বর্তমানে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় নেমেছে এবং কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজিতে।
রোজার শুরুতে আকাশচুম্বী থাকা লেবু ও শসার বাজারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বাড়ায় দাম কিছুটা নিম্নমুখী। গত সপ্তাহে যে লেবু ৬০ থেকে ১০০ টাকা হালিতে বিক্রি হয়েছে, বর্তমানে তা ৪০ থেকে ৭০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।
একইভাবে কেজিপ্রতি ৫ থেকে ১০ টাকা কমে শসা বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৯০ টাকায়। বিক্রেতাদের মতে, শুরুতে অনেকে অতিরিক্ত পণ্য কিনে রাখায় এখন চাহিদা কিছুটা কমেছে।
তবে অস্বস্তি বাড়ছে মাংস ও মসলার বাজারে। চলতি সপ্তাহে ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি ব্রয়লার ১৯০ থেকে ২১০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩০০ থেকে ৩৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
পাইকারি বাজারে দাম বাড়ায় খুচরা পর্যায়ে এর প্রভাব পড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এছাড়া চিনির দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ১০০ থেকে ১০৫ টাকায় ঠেকেছে।
ঈদুল ফিতর সামনে রেখে মসলার বাজারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। কেজিপ্রতি ২০০ টাকা বেড়ে আলুবোখারা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার টাকায়। এছাড়া জিরা, কিশমিশ ও বিভিন্ন ধরনের বাদামের দাম কেজিতে ৪০ থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
অন্যদিকে, বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতা ও বিক্রেতারা। ডিলাররা চাহিদার তুলনায় কম সরবরাহ করায় অনেক দোকানে তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে।








































