বরিশালের অধিকাংশ মানুষ জানে না গণভোটের হ্যাঁ-না ভোট কী!

ফেব্রুয়ারি ০৭ ২০২৬, ২০:৩৬

আরিফ হোসেন : প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচার-প্রচারনা প্রায় শেষের দিকে। তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একই সঙ্গে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। গণভোট সামনে রেখে নামে মাত্র বরিশালের সরকারি প্রচার-প্রচারণা হলেও এর প্রভাব খুব একটা দেখা যায়নি। ফলে শহর থেকে শুরু করে উপজেলার অধিকাংশ ভোটাররা এখনো জানেন না গণভোট কী, কেন এটি হচ্ছে কিংবা কোন প্রশ্নে হ্যাঁ বা না ভোট দিলে কি হবে। গণভোটের বিষয়টি সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন ও বরিশাল প্রশাসনের সচেতনতামূলক সভা ও প্রচারণা করা হলেও গ্রামাঞ্চলে এর তেমন প্রভাব পড়েনি।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ‘দেশের চাবি আপনার হাতে’ স্লোগানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ডিজিটাল বিলবোর্ড ও প্রচারগাড়ির মাধ্যমে জনসচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিলেও তা মূলত জেলা শহরকেন্দ্রিক কিছু প্রচারনা করা হলেও প্রত্যন্ত গ্রাম, হাটবাজার কিংবা ইউনিয়ন পর্যায়ে গণভোট নিয়ে মাইকিং বা সরাসরি প্রচারণা চোখে তেমন পড়েনি। গ্রামের বাসিন্দারা জানান, সংসদ নির্বাচনের কথা সবাই জানলেও গণভোট সম্পর্কে তেমন আলোচনা নেই। অনেক ভোটার জানেন না, ভোটের দিন সংসদ নির্বাচনের ব্যালটের পাশাপাশি আলাদা একটি গণভোটের ব্যালটও দেয়া হবে। এতে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

বরিশাল জেলার ১০টি উপজেলা ও সিটি করপোরেশন এলাকা নিয়ে গঠিত ছয়টি সংসদীয় আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে বিভিন্ন দলের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন একজন নারীসহ ৩৪ জন প্রার্থী। কিন্তু ভোটের প্রচারে মাঠে থাকা প্রার্থীরা ক্ষমতার পালাবদল, উন্নয়ন, মামলা-হামলা, ভোটের পরিবেশ ও রাজনৈতিক দমন-পীড়নের মতো ইস্যুতে জোরালো বক্তব্য দিলেও গণভোট নিয়ে এক প্রকার নীরবতা রয়েই যাচ্ছে। তবে জাতি পুনর্গঠন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বৈপ্লবীক রূপান্তর নিশ্চিতে “হ্যাঁ” মার্চ অনুষ্ঠিত হয়েছে বরিশালে।

শুক্রবার বিকেলে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন আয়োজনে বরিশাল কেন্দ্রিয় শহীদ মিনারে হ্যাঁ মার্চের পূর্বে সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর ৪/৫ দিন আগে ভবিষ্যতে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হ্যা ভোটের কোন বিকল্প নেই। সুন্দর দেশ গড়তে হ্যা ভোট দেবার আহবান জানান। পরে সেখান থেকে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে তারা নগরীতে “হ্যাঁ” মার্চ করে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে। তবে দিন খেটে খাওয়া মানুষ সহ বরিশালের অধিকাংশ মানুষই যানেনা কোন বিষয়ে এবং কেন গণভোট- সে সম্পর্কে স্পষ্ট না। তাই নির্বাচনের দিন বিভ্রান্তি এড়াতে আরও জোরালো প্রচারণার তাগিদ ভোটারদের। তবে নির্বাচনের ও গনভোটের দিন ঘনিয়ে এলেও গণভোট এখনো রয়েছে অন্ধকারে।

এদিকে বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা ভোটের মাঠে প্রচারনা চালাতে দেখলেও গনভোটের সর্ম্পকে কোন ভোটারদের কিছুই বলছেনা প্রার্থীরা। সচেতন মহলের দাবি ১২ ফেব্রুয়ারী নির্বাচনের আগের এখনও থেকে গনভোটের পক্ষে জোড়ালো ভাবে প্রচারনা খুবই জরুরী। তবে দুই একজনে বলছে গনভোটে কিছু আইন পরিবর্তন হবে শুনেছি। তবে সর্ম্পূন্ন ভাবে গনভোটের সম্পর্কে কিছুই জানি না। অধিকাংশ সাধারন ভোটাররা বলছে ‘গণভোটে কি আছে কিছুই জানি না। কেউ আইস্যা বুঝায়ও নাই। হ্যাঁতে দিলে কি আইবো বা না তে দিলে কি আইবো। কিছুই জানি না আমরা। জানলে, বুঝতে পারলে ভোট দিতে সুবিধা অইতো।’

এক নারী ভোটার বলেন, ‘আমরা হ্যাঁ ভোট দিয়াম নাকি না ভোট দিয়াম, এইডা এহনো জানছি না। বুঝজি না। ভোট দিলেও আমরা জানন লাগব। বুঝন লাগব।’ অন্যদিকে গনভোট সর্ম্পকে বরিশালে জাতি পুনর্গঠন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বৈপ্লবীক রূপান্তর নিশ্চিতে “হ্যাঁ” মার্চ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন আয়োজনে বরিশাল কেন্দ্রিয় শহীদ মিনারে হ্যাঁ মার্চের পূর্বে সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা জানান, ভবিষ্যতে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হ্যা ভোটের কোন বিকল্প নেই। সুন্দর দেশ গড়তে হ্যা ভোট দেবার আহবান জানান। পরে সেখান থেকে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে তারা নগরীতে “হ্যাঁ” মার্চ কওে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে।

সংবাদটি শেয়ার করুন....

আমাদের ফেসবুক পাতা

আজকের আবহাওয়া


এক্সক্লুসিভ আরও