মানব বন্ধনে বক্তারা বলেন, খালের উভয় তীরে বসে সাপ্তাহিক বাজার। বাজারের লোকজন, লেবুখালী সরকারি হাবিবুল্লাহ উচ্চবিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছয় শতাধিক শিক্ষার্থী, শিক্ষক-কর্মচারীসহ হাজার হাজার পথচারীর যাতায়াত করত খালের ওপরের লোহার সেতুটি দিয়ে। গভীর রাত পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালামাল বহনের একমাত্র মাধ্যম ছিল এটি।
দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে জরাজীর্ণ সেতুটির অর্ধেক অংশ গত বছর বালুভর্তি ট্রলারের ধাক্কায় ভেঙে যায়। এরপর এখনো এখানে সেতু নির্মাণের উদ্যোগ না নেওয়া হয়নি। তাই ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় প্রতিদিন খাল পারাপার করতে হচ্ছে পথচারীদের।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন লেবুখালী ইউপি চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবদুস সালাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন মোল্লা, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম তুহিন, লেবুখালী বাজারের ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন খান প্রমুখ।
এ সময় শিক্ষার্থী মরিয়ম বলে, ‘প্রতিদিন খেয়ার দিয়ে পার হতে হচ্ছে আমাদের। খালটিতে প্রবল স্রোত থাকায় যেকোনো সময় দুর্ঘটনার ঝুঁকি রয়েছে।’
লেবুখালী সরকারি হাবিবুল্লাহ উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক কামরুজ্জামান আশরাফ বলেন, ‘দ্রুত এখানে সেতু নির্মাণ করা না হলে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’
দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল ইমরান বলেন, ‘সেতু নির্মাণের বিষয়ে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ পেলে ব্যবস্থা নেব।’