মা ও স্ত্রীর পাশে শায়িত হলেন তোফায়েল আহমেদ

জুন ০২ ২০২৬, ২০:৩০

দ্বিতীয় জানাজা শেষে বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ভোলার সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে মা ও স্ত্রীর কবরের পাশে তাঁর মরদেহ দাফন করা হয়।

এর আগে বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে তোফায়েল আহমেদের গ্রামের বাড়ির মসজিদের সামনে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভোলা সদর, বোরহানউদ্দিন ও দৌলতখান উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ অংশ নেন।

স্থানীয়রা জানান, দুপুর পৌনে ২টার দিকে ঢাকা থেকে তোফায়েল আহমেদের মরদেহ হেলিকপ্টারে করে ভোলার বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন হেলিপ্যাডে পৌঁছায়। পরে সেখান থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহ নেওয়া হয় ভোলা সরকারি স্কুল মাঠে। সেখানে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। এরপর সেখানেই তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গত সোমবার (১ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তোফায়েল আহমেদ। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

তোফায়েল আহমেদ ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রধান সংগঠক ছিলেন। তিনি ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ডাকসুর ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মাত্র ২৭ বছর বয়সে ১৯৭০ সালে তিনি পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত হন। ৯ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া এই শীর্ষ নেতা বিভিন্ন মেয়াদে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন।

তিনি আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং সবশেষ দলটির উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য হিসেবে যুক্ত ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন....

আমাদের ফেসবুক পাতা

আজকের আবহাওয়া

পুরাতন সংবাদ খুঁজুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০  

এক্সক্লুসিভ আরও