বরিশালে ভোটের মাঠে বিধি ভঙ্গের হিড়িক
জানুয়ারি ৩০ ২০২৬, ১৭:০৯
বরিশাল ॥ ভোটের প্রচারণা যত জোরদার হচ্ছে, ততই খসখসে হয়ে উঠছে বরিশালের নির্বাচনী মাঠ। পোস্টার, স্টিকার, অতিরিক্ত নির্বাচনী বুথ মিলিয়ে আচরণবিধি যেন কাগজে আছে, কিন্তু মাঠে নেই।
বরিশালের ছয়টি সংসদীয় আসনে গত কয়েক দিনে আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ যেভাবে জমতে শুরু করেছে, তাতে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে প্রার্থীদের একাংশের মধ্যে। রিটার্নিং অফিস ও মাঠ পর্যায়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের তথ্য -লছে, মাত্র তিন দিনে আচরণবিধি ভাঙার দায়ে অন্তত ১১ জনকে জরিমানা করা হয়েছে। -মোট জরিমানার অঙ্ক ছুঁয়েছে ছয় হাজার টাকা।
অভিযোগের তালিকায় আছে মোটরসাইকেলে অবৈধ স্টিকার, অনুমোদনহীন রঙিন পোস্টার, এমনকি প্রয়োজনের চেয়ে বেশি বুথ তৈরি করার ঘটনাও। গৌরনদীতে প্লাস্টিক ব্যবহার করে প্রচারণা চালানোর অভিযোগে ধানের শীষের এক সমর্থককে এক হাজার টাকা জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান।
হিজলায় মোটরসাইকেলে অবৈধ স্টিকার লাগানোর অভিযোগে ১০ জনকে ৫০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে বলে জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভ্র জ্যোতি বড়াল। আগৈলঝাড়ায় রঙিন পোস্টার সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুজ্জামান পলিন। বাবুগঞ্জে অতিরিক্ত বুথ নির্মাণ করায় ধানের শীষের প্রার্থীকে বুথ খুলে ফেলতে বলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহিল বাকী।
এদিকে বরিশাল-৩ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর পক্ষে তাঁর মেয়ে হাবিবা কিবরিয়ার প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিএনপির সমর্থকদের বিরুদ্ধে। বরিশাল-৫ আসনে বাসদের প্রার্থী মনীষা চক্রবর্তীর অভিযোগ, বিএনপি প্রার্থী মজিবুর রহমান সরোয়ার সৈয়দ হাতেম আলী কলেজে প্রচারণা চালিয়ে একটি বাস দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যা সরাসরি আচরণবিধি লঙ্ঘনের শামিল। বরিশাল-৬ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কামরুল ইসলাম খান।
বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি সহকারী রিটার্নিং অফিসার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর একাধিক কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার দাবি করেন। রিটার্নিং অফিসার মো. খায়রুল আলম সুমনের দাবি, ‘প্রশাসন নীরব নয়। প্রতিদিনই সতর্ক করা হচ্ছে, জরিমানাও করা হচ্ছে। কিছু অভিযোগ ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটি ও সেনা ক্যাম্পে পাঠানো হয়েছে।









































