সাম্মাম চাষে সফল কামরুজ্জামান জুয়েল

নভেম্বর ০৮ ২০২২, ১৫:৫৭

সুনান বিন মাহাবুব, পটুয়াখালী: পুষ্টিগুনে ভরপুর মানুষের শরীরের তাপমাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ রাখে ও পর্যাপ্ত পরিমাণ বিটা ক্যারোটিন ও প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সিও রয়েছে সাম্মাম ফলে। এটি মরু অঞ্চলের সুস্বাদু ও মিষ্টি জাতের ফল। আর এই ফল চাষ করে ব্যাপক সফলতার পাশাপাশি বাজীমাত করেছেন পটুয়াখালীর জেলার একজন কৃষি উদ্যোক্তা কামরুজ্জামান জুয়েল।

জানা গেছে, ঢাকা থেকে বীজ সংগ্রহ করে ৫ বিঘা জমিতে দুই জাতের সাম্মাম চাষ করে প্রায় ৩ টন ফল উৎপাদন করেছেন তিনি। ইন্টারনেটে সাম্মাম চাষের ভিডিও দেখে উৎসাহিত হয়ে এবং জেলা কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে ও সহযোগীতায় এই ফলের চাষ শুরু করেন। পটুয়াখালী শহর থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে আউলিয়াপুরে মরু অঞ্চলের ফল ‘সাম্মাম’ ফল চাষ করে অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন কামরুজ্জামান জুয়েল। তিনি পেশায় একজন ব্যাংক কর্মকর্তা।

ইতিমধ্যে সাম্মাম এলাকার মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এক জাতের সাম্মামের বাইরের অংশ সবুজ আর ভেতরে লাল। আরেক জাতের সাম্মামের বাইরের অংশ হলুদ আর ভেতরে লাল। তবে দুটি ফলই খেতে মিষ্টি, সুস্বাদু ও সুগন্ধযুক্ত। দেড় মাসের মধ্যেই গাছে ফল আসতে শুরু করে। তিন মাসের মধ্যেই পরিপক্ব হয় সাম্মাম। এ ফলটি জমির মাটির মধ্যে ও মাচা তৈরি করে চাষ করা যায়। এ ফল মানুষের শরীরের তাপমাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ রাখে। পর্যাপ্ত পরিমাণ বিটা ক্যারোটিন রয়েছে, যা কমলার চেয়ে ২০ ভাগ বেশি। এ ছাড়া প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সিও আছে এই ফলে। আরো আছে পটাশিয়াম, ফলিক অ্যাসিড, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, জিঙ্ক, কপার, ম্যাঙ্গানিজ, ম্যালেনিয়াম প্রভৃতি।

কামরুজ্জামান জুয়েল বলেন, ছোটবেলা থেকেই কৃষিকাজের প্রতি ছিলো আমার একটি সখ আর এই শখ থেকেই অবসরে কৃষি কাজ করা। একেকটি সাম্মাম ফল দেড় থেকে দুই কেজির উপরে হয়।

পটুয়াখালী কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা জানান, সাম্মাম ফলের তেমন একটা রোগ বালাই নেই, আর এ ফল গাছের সঠিক চাষাবাদ এবং নিয়মিত ফুলের পরাগায়ন হলে একেকটি গাছ থেকে বেশ কয়েকটি ফল উৎপাদন করা সম্ভব। আমরা সর্বাত্ত্বক সহযোগীতা করেছি সাম্মাম ফল উৎপাদনের জন্য।

সংবাদটি শেয়ার করুন....

আমাদের ফেসবুক পাতা

আজকের আবহাওয়া

পুরাতন সংবাদ খুঁজুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১

এক্সক্লুসিভ আরও