স্কুটিতে ধাক্কা, তরুণীকে ১২ কিমি টেনে হিঁচড়ে নিয়ে গেল গাড়ি
জানুয়ারি ০২ ২০২৩, ১২:১৫
নিজস্ব প্রতিবেদক: ভারতের দিল্লিতে বছরের প্রথম দিনই এক দুর্ঘটনায় স্কুটিচালক এক তরুণীর মৃত্যু হয়েছে। স্কুটিতে ধাক্কা দিয়ে তাকে ১২ কিলোমিটার টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যায় এক ‘ঘাতক’ গাড়ি। আর তাতেই প্রাণ হারান ২০ বছরের ওই তরুণী। নিহতের নাম অঞ্জলি।
এদিকে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা করেছে দেশটির পুলিশ। ভারতের সংবাদমাধ্যম সংবাদপ্রতিদিনের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পুলিশ সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকাল রোববার ভোরের দিকে সুলতানপুরীতে ঘটে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা।
স্কুটিতে করে যাচ্ছিলেন ২০ বছরের ওই তরুণী। সে সময় স্কুটিটিতে সজোরে ধাক্কা মারে এক বেপরোয়া গাড়ি। এতে গাড়ির নিচে আটকে যায় তরুণীর পা। সেই অবস্থাতেই তাকে টেনে হিঁচড়ে প্রায় ১০-১২ কিলোমিটার গিয়ে যায় গাড়িটি।
দিল্লির পুলিশ কর্মকর্তা হরেন্দ্র কে সিং জানান, গাড়ির নম্বর দেখে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযুক্তদের দাবি, একটি স্কুটিতে ধাক্কা দিয়েছিল তাদের গাড়ি। যদিও ওই তরুণীর যে পা আটকে গিয়েছিল এবং তার জেরে এতটা পথ ছ্যাঁচড়াতে ছ্যাঁচড়াতে গেছেন তিনি, তা নাকি টেরও পায়নি তারা।
ধৃতদের মধ্যে একজন পেশায় ক্রেডিট কার্ড কালেকশন এজেন্ট, একজন চালক এবং একজন রেশন দোকানি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তবে মৃত তরুণীর মা রেখার দাবি, তার মেয়েকে যৌন হেনস্তাও করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘সম্পূর্ণ নগ্ন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে আমার মেয়ের দেহ। যৌন হেনস্তা না হলে দুর্ঘটনায় পুরো পোশাক ছিঁড়ে যাওয়া সম্ভব নয়। আমি এর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চাই। সুবিচার চাই।’
নির্ভয়ার মতোই তার সঙ্গে যৌন হেনস্তা হয়েছে বলে দাবি করে কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের অন্য সদস্যরাও।
এদিকে দিল্লির মহিলা কমিশনের প্রধান স্বাতী মালিওয়ালের দাবি, গাড়ির পাঁচজনই মাদকাসক্ত ছিলেন। তার কথায়, এই ভয়ঙ্কর ঘটনার আরও তথ্য জানতে দিল্লি পুলিশকে তলব করা হয়েছে। তার পরই সত্যিটা সামনে আসবে।








































