হিজলায় প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুত্বর আহত নারী
ডিসেম্বর ২৭ ২০২২, ২২:৫৫
নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বরিশাল জেলার হিজলার খুন্নাগোবিন্দপুর গ্রামে জমি জমা বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষরা এক নারীকে পিটিয়ে জখম করেন। পরে স্থানীয়রা ডাক চিৎকার শুনে গুরুত্বর আহত অবস্থায় নারী ইয়াসমিন বেগম (৩৭) কে উদ্ধার করে হিজলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
হামলাকারীদের হাত থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য ভুক্তভোগী নারী ৯৯৯ এ ফোন করে সহায়তা চাইলে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে হিজলা থানার পুলিশের একটি টিম গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন। এঘটনায় আহত নারীর ছেলে -মোঃ আব্দুল হাকীম হিজলা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা দায়ের পরই হামলাকারীদের মধ্যে একজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন থানা পুলিশ।
মামলার বাদী আব্দুল হাকিম (কামাল) ও এজাহার সূত্রে জানা গেছে, আমার পিতা ২য় বিবাহ করে হিজলা থানাধীন একতার চরে বসবাস করে। আমার মা মোসাঃ ইয়াসমিন বেগম ও আমি হিজলা থানাধীন খুন্না গোবিন্দপুর সাকিনস্থ গুচছগ্রামের বাড়ীতে থাকি।
বিবাদীদের বসত বাড়ী কাজীরহাট থানার আন্দারমানিক সাকিস্থ হওয়ায় বিবাদীরা আমার মাকে একাপাইয়া বসত বাড়ী হইতে উৎখাত করার জন্য ঘটনার আগে বহুবার মারধর করে আহত করেন। আমার মা ইয়াসমিন বেগম আমাদের বাড়ীর আমাদের সৃজিত সিরিজ (রেন্ডি গাছের) ঢাল কাটিলে বিবাদীরা আমার মাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে।
তখন বিবাদীরা আমাদের গুচ্ছগ্রামের বাড়ীর সরকারী জমি নিজেদের দাবী করিয়া উক্ত গুচ্ছগ্রাম হইতে আমাদেরকে উৎখাত করার জন্য ২৫/১২/২০২২ তারিখ বিকালে ৩.৩০ঘটিকায় আমাদের বসত বাড়ীতে ঢুকে মোঃ আসিব দেওয়ান (৩৪), মোঃ রায়হান দেওয়ান (৩৩), সর্ব পিতা-মোঃ হারুন দেওয়ান সহ অজ্ঞাত নামা ৪/৫ জন ব্যাক্তি বে-আইনী জনতাবদ্ধে আমাদের বাড়ীতে প্রবেশ করিয়া আমার মা ইয়াসমিন বেগমকে মারধর করে শ্বাসরোধ করিয়া হত্যার উদ্দেশ্যে আমার মায়ের গলা চাপিয়া ধরে এলোপাথারী কিল ঘুষি মারে এবং রেন্ডি গাছের লাঠি দিয়া পিটিয়ে জখম ও শ্লীলতাহানীর চেষ্টা করে। শুধু তাই নয় তার সাথে থাকা আট আনা ওজনের স্বর্ণের ঝুমকা যার মূল্য অনুমান ৪২০০০/ হাজার টাকা তাও নিয়া যায়।
পরে আমি আমার মায়ের ডাক চিৎকার শুনে আমি সহ আমাদের বাড়ীর আশপাশের লোকজন আগাইয়া আসিলে বিবাদীরা আমার মা সহ আমাকে খুন জখমের হুমকী দিয়া চলিয়া যায়। এঘটনায় আমি নিজেই বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করি।








































