অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা
জুলাই ০৮ ২০২৬, ০২:৩৬
কিন্তু বিগ ম্যাচ ট্যাম্পারেচার কীভাবে সামাল দিতে হয় তা রূপকথার কাব্য লিখে জানান দিলেন মেসি। ২-০ গোলে পিছিয়ে থাকার পর ৪ মিনিটের ব্যবধানে জোড়া গোল, আর শেষ মুহূর্তের ইনজুরি টাইমের গোলে মিসরকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পা রাখলো লিওনেল স্কালোনির আর্জেন্টিনা।

মেসির গোলে সমতা ফেরাল আর্জেন্টিনা
৬৭ মিনিটে দুই গোল হজম করার পর আর্জেন্টিনা দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল। চার মিনিটের ব্যবধানে দুটি গোল করল তারা।
ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো রক্ষণভাগের খেলোয়াড়দের ফাঁকি দিয়ে ভেতরে ঢুকে পড়েন। তারপর ডান দিক থেকে বাড়ানো মেসির একটি ক্রসে চমৎকার হেডে বল জালে জড়ান। মিশরীয় গোলরক্ষক মোস্তফা শোবের তার বাঁ হাত দিয়ে বলটি ঠেকানোর চেষ্টা করেছিলেন। পোস্টের ভেতরের কোণ দিয়ে বল লাইনের ভেতরে ঢুকে পড়া আটকাতে পারেননি। মিশরীয় ডিফেন্ডাররা অফসাইডের জন্য আবেদন করলেও তা বৃথাই যায়। ৭৯ মিনিটে গোল ব্যবধান কমায় তারা।
মেসি ম্যাচের ৮৪ মিনিটে গোল করে সমতা ফেরান। এই বিশ্বকাপে এটি তার অষ্টম গোল। গোলরক্ষকের গায়ে লেগে বারের নিচের অংশে লেগে বলটি জোরালো শটে জালে জড়ায়। এর মাধ্যমে মাত্র চার মিনিটের ব্যবধানে দুটি গোল করল আর্জেন্টিনা। মেসি এই নিয়ে টানা নয়টি বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করার কৃতিত্ব অর্জন করলেন।
আর্জেন্টিনার জাল ফের কাঁপাল মিশর
৬৭ মিনিটে আর্জেন্টিনা আরেকটি গোল হজম করল। মিশরের গোল বাতিল হওয়ার পর ফের জাল কাঁপাল তারা। ২-০ গোলে পিছিয়ে আর্জেন্টিনা।
বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপের শেষ ১৬ থেকেই বিদায় নেওয়ার শঙ্কায় পড়েছে। মিশর এর আগে বিশ্বকাপে কখনো কোনো ম্যাচ জিতেনি কিংবা নকআউট পর্বেও পৌঁছাতে পারেনি। তারা এখন কোয়ার্টার ফাইনালের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
৬৭ মিনিটে পাল্টা আক্রমণ থেকে হাসানের বাড়ানো পাস ধরে মার্টিনেজকে পরাস্ত করে বল জালে জড়ান জিকো।
পিছিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ আর্জেন্টিনার
পিছিয়ে থেকেই বিরতীতে যেতে হলো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে। তবে স্বস্তিতে নেই মিশরও। খেলায় ফিরে আসতে মেসিদের আক্রমণ চলছেই।
পেনাল্টি মিস করলেন মেসি
গোল করতে পারলেন না মেসি। আবারও পেনাল্টি মিস। গোল খাওয়ার পর পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে গোল শোধ দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল আর্জেন্টিনা।
তাগলিয়াফিকো মিশরের বক্সের মধ্যে ফাউলের শিকার হন। পেনাল্টি শট নেন মেসি। তার বাম পায়ের শট বাঁ দিকে ডাইভ দিয়ে ফিরিয়ে দেন মোস্তফা শোবেইর।
মেসি শটটি গোলরক্ষকের বাঁ দিক ঘেঁষে নিলেও তাতে যথেষ্ট গতি ছিল না। মিশরের গোলরক্ষক মোস্তফা সঠিক উচ্চতায় থাকা বলটিকে দারুণভাবে প্রতিহত করেন।
বিশ্বকাপে নেওয়া মোট ৮টি পেনাল্টির মধ্যে ৪টিই মিস করলেন মেসি। চলতি বিশ্বকাপে এটি তার দ্বিতীয় পেনাল্টি মিস। এর আগে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে পেনাল্টি গোল করতে পারেননি তিনি।

মিশর ১-০ আর্জেন্টিনা
শেষ ষোলোর ম্যাচ শুরুর ১৫ মিনিটেই মার্তিনেজকে বোকা বানিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের জালে বল জড়িয়ে এগিয়ে গেল মিশর।
মিশরীয় ডিফেন্ডার ইয়াসির ইব্রাহিম ডি-বক্সের মাঝখান থেকে দুর্দান্ত এক হেডে বলটিকে পোস্টের ডানদিকের নিচের কোণ দিয়ে জালের ভেতরে পাঠান। কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে ক্রস বাড়িয়ে এই গোলটিতে অ্যাসিস্ট করেন মারওয়ান আতিয়া।








































