আগৈলঝাড়ায় কাজ না করেই টাকা উত্তোলন!
জুন ১১ ২০২৫, ১৮:৩৫
filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; captureOrientation: 0; brp_mask:0; brp_del_th:null; brp_del_sen:null; module: photo; hw-remosaic: false; touch: (-1.0, -1.0); sceneMode: 8; cct_value: 0; AI_Scene: (200, 0); aec_lux: 110.0; aec_lux_index: 0; albedo: ; confidence: ; motionLevel: 0; weatherinfo: null; temperature: 47;
আগৈলঝাড়া প্রতিনিধি : বরিশালের আগৈলঝাড়ায় কাজ না করেই প্রকল্পের বরাদ্দের টাকা উত্তোলন করার অভিযোগ উঠেছে প্রকল্পের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের বিরুদ্ধে। ওই সড়কে আওয়ামীলীগ সরকারের সময় একাধিক প্রকল্প দিয়ে কাজ না করে টাকা উত্তেলন করে নিয়েছে ইউপি চেয়ারম্যান।
এঘটনার প্রতিবাদে এলাকাবাসী বিক্ষোভ মিছিল করেছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, চলতি বছর উপজেলা বাকাল ইউনিয়নের জলিরপাড় ব্রীজ থেকে জলিরপার জামে মসজিদ পর্যন্ত এক কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের জন্য ৮ টন কাবিখার চাল বরাদ্দ দেয় উপজেলা প্রশাসন। ওই কাজ বাস্তবায়নের জন্য সভাপতি করা হয় বাকাল ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য পরিমল হালদারকে ও সাধারন সম্পাদক করা হয় ওয়ার্ড বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম ফকিরকে।
ওই কাজ বাস্তবায়ন কমিটি দেড় মাস পূর্বে ২০ চাকা মাটি দিয়ে সংস্কার কাজ উদ্বোধন করলেও বাকী কোন কাজ করা হয়নি।
কমিটির সদস্যদের বিরুদ্ধে এই কাজের বিল উত্তোলন করাও অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বুধবার সকালে সরেজমিন গেলে দেখা যায় উদ্বোধনের বিশ চাকা মাটি ওই সড়কে রয়েছে।
বাকী কোন কাজ হয়নি। এছাড়াও স্থানীয় মো.আব্দুর রশিদ ফকির, ফিরোজ ফকির, রব ফকির ও হাফিজুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের সময় আমরা এই সড়ক নিজেরা টাকা উত্তোলন করে সংস্কার করেছি। তবে এই সংস্কার কাজ দেখিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান বিপুল দাস বরাদ্দ দিয়ে টাকা উত্তোলন করে নিয়েছে। জলিরপাড় জামে মসজিদের নামেও বরাদ্দ দিয়ে তা উঠিয়ে নিয়েছেন চেয়ারম্যান।
এঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ লোকজন ইউপি চেয়ারম্যান বিপুল দাসের বিচারের দাবীতে মিছিল করেছে। এব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান বিপুল দাস বলেন, আমাকে দুই দিনের সময় দেন আমি কাজ করে দিব। ওই কাজের সভাপতি ইউপি সদস্য পরিমল হালদার, প্রকল্পের টাকা উত্তেলনের কথা প্রথমে অস্বীকার করে। পরে টাকা উত্তেলনের কথা স্বীকার করেন। উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা অসুস্থ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারিহা তানজিনকে একাধিকবার তার সরকারী মোবাইলে ফোন দিলেও সে ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।









































