আমতলীতে শহিদ মিনার ভাঙচুর
ফেব্রুয়ারি ২১ ২০২৩, ১৬:৫৩
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: আমতলী উপজেলার চিলা হাসেম বিশ্বাস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অস্থায়ী শহিদ মিনার রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা ভেঙ্গে ফেলেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এমন অভিযোগ করেন। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা ওই শহিদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করতে পারেনি। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুর্বৃত্তদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি দাবি করেছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
জানা গেছে, আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা ও শহিদ দিবস পালন উপলক্ষে সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার চিলা হাসেম বিশ্বাস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা শহিদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণে কলাগাছ, বাঁশ ও ইট দিয়ে অস্থায়ী শহিদ মিনার নির্মাণ করেন।
ওইদিন রাতে দুর্বৃত্তরা ওই শহিদ মিনার ভেঙ্গে ফেলেছে। মঙ্গলবার প্রভাতে ওই শহিদ মিনারে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা পুস্পস্তবক অর্পণ করতে গেলে তারা ভাঙ্গা দেখতে পান। এতে ওই শহিদ মিনারে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা পুস্পস্তবক অর্পণ করতে পারেনি।
শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা শহিদ মিনার ভেঙ্গে ফেলেছে। মিনার ভেঙ্গে ফেলায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তি দাবি করেছেন তারা।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বলেন, প্রভাতে শহিদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করতে গিয়ে ভাঙ্গা দেখতে পাই। কারা যেন রাতের আঁধারে মিনার ভেঙ্গে ফেলেছে। এ অপকর্ম যারা করেছে তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি করছি।
আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা ও শহিদ দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক মো. আব্দুল আউয়াল বলেন, সন্ধ্যায় শহিদ মিনার নির্মাণ করে বাড়িতে চলে যাই।
রাতেই খবর পেয়েছি দুর্বৃত্তরা শহিদ মিনার ভেঙ্গে ফেলেছে। মঙ্গলবার সকালে ভাঙ্গা শহীদ মিনার পুনরায় নির্মাণ করে ফুল দেওয়া হয়েছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, যারা শহিদ মিনার ভেঙ্গেছে তারা দেশের শত্রু। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হবে।
বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত সহকারী অধ্যাপক মো. আবুল হোসেন বিশ্বাস বলেন, প্রধান শিক্ষক শহীদ মিনার ভাঙ্গার বিষয়টি আমাকে জানিয়েছে। এ ঘটনা সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আমতলী থানার ওসি একেএম মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলম বলেন, এটা অত্যান্ত ভয়ঙ্কর ঘটনা। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আ/ মাহাদী









































