শ্যালকের লাঠির আঘাতে প্রাণ গেল দুলাভাইয়ের

জানুয়ারি ৩১ ২০২৩, ২০:২৩

অনলাইন ডেস্ক :: গাজীপুর মহানগরের গাছা থানার ইশ্বড্ডা এলাকায় শ্যালকের লাঠির আঘাতে প্রাণ হারালেন দুলাভাই। এ ঘটনায় জিএমপি গাছা থানায় নিহতের শ্যালক আব্বাস হাওলাদার ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী তাহিনুর বেগমের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

নিহতের নাম কামরুল ইসলাম (৪৩)। তিনি ভোলা জেলা সদরের ছোট মাইনকা গ্রামের আব্দুল কাদিরের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, ইলেকট্রিক মিস্ত্রি আব্বাস হাওলাদার দ্বিতীয় স্ত্রী তাহিনুর বেগমকে নিয়ে গাজীপুর মহানগরের গাছা থানাধীন ইশ্বড্ডার আব্দুল কাদিরের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। প্রথম স্ত্রী রিতা বেগম আব্বাসের ভোলা জেলা সদরের দক্ষিণ বাইল্যা গ্রামের বাড়িতে থাকতেন। আব্বাস প্রথম সংসারের তেমন ভরণপোষণ ও খোঁজখবর নিতেন না। ফলে প্রথম স্ত্রী রিতা বেগম সন্তানদের নিয়ে গাজীপুরে কাজের সন্ধানে আসেন এবং ইশ্বড্ডা এলাকায় বাসা ভাড়া নেন।

আব্বাস ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী তাহিনুর বেগম বিষয়টি জানতে পেরে ক্ষুব্ধ হন এবং রিতা বেগমকে গ্রামের বাড়িতে ফিরে যেতে বলেন। গ্রামে ফিরে যেতে রাজি না হওয়ায় একপর্যায়ে রিতা বেগমের ভাড়া বাসায় গিয়ে চড়াও হন তারা। এ ঘটনায় রিতা বেগম আব্বাসের ভগিনীপতি কামরুল ইসলামের কাছে বিচারপ্রার্থী হন।

রোববার রাতে কামরুল ইশ্বড্ডার জনৈক রুবেলের রিকশার গ্যারেজের সামনে আব্বাসকে পেয়ে প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে ঝামেলার বিষয়ে জানতে চান। এ সময় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আব্বাস কাঠের বাটাম দিয়ে ভগিনীপতি কামরুলের মাথায় আঘাত করেন। এতে কামরুল গুরুতর আহত হলে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তিনি মারা যান।

খবর পেয়ে গাছা থানা পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের লাশ গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে কামরুন নাহার মুন্নি বাদী হয়ে মামা আব্বাস ও মামি তাহিনুর বেগমকে আসামি করে গাছা থানায় মামলা করেন।

এ ব্যাপারে গাছা থানার ওসি মো. ইব্রাহিম হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার পর আব্বাস ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী তাহিনুর বেগম পালিয়ে গেছে। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

আমার বরিশাল/আরএইচ

সংবাদটি শেয়ার করুন....

আমাদের ফেসবুক পাতা

আজকের আবহাওয়া


এক্সক্লুসিভ আরও