যুবলীগের পাল্টাপাল্টি শান্তি সমাবেশ
ফেব্রুয়ারি ২৭ ২০২৩, ১২:২৮
- এক পক্ষের আয়োজনকে নিরর্থক বলছে কর্মীরা
অনলাইন ডেস্ক :: ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলায় পুলিশ পাহারায় যুবলীগের দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (২৬ ফেব্রুয়ারী) সকালে উপজেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন রিয়াজ সিকদার এর নেতৃত্বে যুবলীগের এক হাজারের বেশী নেতাকর্মীর অংশগ্রহনে একটি শান্তি মিছিল বেরহয়। মিছিলটি উপজেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদিক্ষণ শেষে উপজেলা যুবলীগ কার্যালয়ের সামনে এসে এক সমাবেশ করেন তারা।
এসময় সংক্ষিপ্ত এক আলোচনায় বক্তাব্য রাখেন, আওয়ামী লীগেনেতা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া সিকদার, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক তরুন সিকদার, ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদ হোসেন রিপন, আওরাবুনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি কামরুজ্জামান লিটন, যুবলীগ নেতা মাইনুল হোসেন উজ্জল জমাদ্দার, নজরুল ইসলাম বাবু প্রমূখ।
বক্তারা সকলে বিএনপি জামাতের অগ্নি সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যে রুখে দেওয়ার অঙ্গীকার করে। সমাবেশে যুবলীগ আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেয়।
অপরদিকে এ দলের মিছিলটি শেষ হতেই কাঠালিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়্যারম্যান মাহমুদুল হক নাহিদ সিকদার নেতৃত্বে একটি শান্তি মিছিল বের হয়। মিছিলটির প্রথম দিকে কয়েক জন আওয়ামীলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী দেখা গেলেও শেষ দিকে লক্ষ করা গেছে কয়েক শতাধিক ছাত্রলীগকর্মীকে। এমনিকি মিছিলটির স্লোগানেও ছাত্রলীগের নেতাদের নেতৃত্ব দিতে লক্ষ করা গেছে। ফলে উপজেলা যুবলীগের পাল্টা এ আয়োজকে নিরর্থক বলে মনে করছেন দলের কর্মী-সমর্থকরা।
সমালোচিত এই মিছিলটি সদর ইউনিয়ন পরিষদের সামনে থেকে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আবার ইউনিয়ন কার্যলয়ের সামনে এসে সমাবেশে করে।
এসময় সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বক্তাব্য রাখেন, ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদুল হক নাহিদ সিকদার, আমিরুল ইসলাম ফোরকান সিকদার, কাঠালিয়া সদর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রোকন সিকদার, ইউনিয়ন অযুবলীগ সভাপতি মোঃ মনিরুজ্জামান খান, যুবলীগ নেতা সরোয়ার হোসেন বাদল, আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল প্রমূখ।
দুই দলের এ আয়োজন নিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের একাধিক ত্যাগি নেতাকর্মীরা বলছে, অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিয়ে ভুগছে কাঠালিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ। আগামী নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি রাজপথে নামার চেষ্টা করছে। সামনে এ চেষ্টা আরো বাড়বে। এমন পরিস্থিতিতে নিজেদের মধ্যে বিবাদ, হানাহানি বন্ধ করতে না পারলে বিরোধী দলগুলোর আন্দোলন সামাল দেওয়া কঠিন হবে।
আমার বরিশাল/আরএইচ









































