‘কোরআন পোড়ানো মানে ইসলামের ওপর হামলা’

জুলাই ২৯ ২০২৩, ১২:০৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: সুইডেন ও ডেনমার্কে সাম্প্রতিক সময়ে মুসলিমদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কোরআন পোড়ানোর ঘটনায় দেশ দুইটির ওপর বেজায় চটেছে মুসলিম বিশ্ব।

ইতিমধ্যে মুসলিমপ্রধান বহু দেশ এর কড়া নিন্দা জানিয়েছে। তারা বলছে, এটি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হতে পারে না। খবর আনাদোলু এজেন্সির।

পশ্চিমা দেশগুলোতে কোরআন অবমাননার ঘটনা বেশ বেড়েছে। এ নিয়ে আনাদোলু ইরান, ইরাক, আলজেরিয়া, লেবানন এবং ফিলিস্তিনের নাগরিকদের সঙ্গে কথা বলেছে-যারা কোরআন পোড়ানোর প্রতিবাদ জানাতে রাস্তায় নেমেছিল।

অধিকৃত পশ্চিম তীরে আল-আকসা মসজিদের একজন ইমাম ইউসুফ আবু সুনায়েন বলেন, আল্লাহর কিতাব মুসলমানদের অন্তরে সংরক্ষিত; তারা যাই করুক না কেন, যতই ঘৃণা করুক না কেন, আক্রমণ করার যতই সুযোগ দেখুক না কেন, আল্লাহর কিতাব মুসলমানদের পথ দেখাবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা শুধু বলব যারা কোরআন পোড়াচ্ছেন তারা অজ্ঞ। ইরানের এক বাসিন্দা মেহদিয়ে রাহমানি বলেছেন, একজন মুসলিম হিসেবে আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই। তিনি বলেন, সুইডেন, ডেনমার্ক এবং অন্যকোথাও কোরআন অবমাননা ও কোরআন পোড়ানোর নিন্দা জানাই। এসবের বিরুদ্ধে আমি।

সাতিন জুহরেভেন্দ নামে আরেক ইরানি বলেন, এ ধরনের হামলা মুসলিমরা মেনে নিতে পারে না। আলা খুদাইর নামে একজন ইরাকি জোর দিয়ে বলেছেন, কোরআন পোড়ানো মানে ইসলামের ওপর হামলা।

রাহিল হালাফ নামে আরেকজন ইরাকি নাগরিক বলেছেন, কোরআন অবমাননার বিরুদ্ধে মুসলিমদের এক হওয়া উচিৎ। আলজেরিয়ার বাসিন্দা সুলেইমান মাহমুদি বলেছেন, খ্রিস্টান বিশ্ব সবসময়ই ইসলামবিদ্বেষী। এখন তারা মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে অজুহাত দিচ্ছে।

আলজেরিয়ার আরেক নাগরিক মুরাদ বুয়ালাম ডেনমার্কে কোরআন পোড়ানাকে দুঃখজনক ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। লেবাননের আহমেদ আল-রামি এসব ঘটনার বিরুদ্ধে মুসলিমদের ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপের আহ্বান জানান।

সংবাদটি শেয়ার করুন....

আমাদের ফেসবুক পাতা

আজকের আবহাওয়া