বরিশালে সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
আগস্ট ০১ ২০২৪, ১৯:২৪
নিজস্ব প্রতিবেদক : বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের আয়োজনে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় নগর ভবনের সভাকক্ষে মহানগর পর্যায়ে সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধ কমিটির সভায় সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিসিসি’র মাননীয় মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ (খোকন সেরনিয়াবাত)।
বিসিসি’র মেয়র ও মহানগর সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আবুল খায়ের আবদুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত বলেন, যাদের মধ্যে নূনতম দেশ প্রেম আছে তারা কোন ভাবেই দেশের মেট্রোরেল,বিটিভিসহ সরকারী স্থাপনায় হামলা চালাতে পারে না। এরা দেশের শত্রু,জনগনের শত্রু।
মেয়র বলেন, দেশের জন্য প্রধানমন্ত্রী যা নির্মান করেছেন তা তিনি একার ভোগের জন্য করেননি। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করলাম কোটা আন্দলের নামে একটি মহল দেশের গুরুত্বপূর্ন স্থাপনা ভেঙে দিচ্ছে,সরকারী ভবনে আগুন দিচ্ছে,যানবাহনে আগুন দিচ্ছে।
এটা কারা করছে,কেন করছে? কোটা আন্দলনের সাথে এই নাশকতার কি সম্পর্ক প্রশ্ন রাখেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবী মেনে নিয়েছে। ঘটনার এখানেই শেষ হবার ছিলো। কিন্তু হয়নি। কারন একটি চেয়েছিলো সরকার পতন করতে। তাদের সেই আশা পূরন হয়নি। তারা এখনো ওই এজেন্ডা নিয়ে মাঠে রয়েছে শিক্ষার্থীদের উপর ভর করে। তাই এখন সময় এসেছে এই মহলটির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ও সচেতন হবার। মেয়র বলেন, এই কাজটা আমাদের নিজ নিজ ঘর থেকে শুরু করতে হবে। আমাদের সন্তানদের বুঝাতে হবে যে কোনটা সঠিক আর কোনটা ভুল। একজন শিক্ষার্থী হিসাবে তাদের কি ভুমিকা রয়েছে। মেয়র শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, দিন দিন শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে নৈতকতা উঠে যাচ্ছে। এখানে শিক্ষকদের ব্যর্থতা রয়েছে। তারা আগের মত শিক্ষার্থীদের প্রতি যত্নশীল হচ্ছেন না। তাই এ ব্যাপারে যত্নশীল হবার পরামর্শ দেন।
তিনি বলেন, বরিশাল মহানগরের প্রতিটি ওয়ার্ডে সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা হবে। জনসাধারন কে সচেতন করতে সন্ত্রাস বিরোধী লিফলেট বিতরন করে তা নগরীর প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌছে দেওয়া হবে।
নগরীর প্রতিটি মসজিদে নাশকতাকারীদের বিরুদ্ধে সচেতন হতে বয়ান করা হবে।
এছাড়া নগরীর প্রতিটি সরকারী গুরুত্বপূর্ন স্থাপনায় পাহাড়ার ব্যবস্থা করা হবে। অনুষ্ঠিত এ সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বরিশালের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মোঃসোহরাব হোসেন, বরিশাল শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর মোঃইউনুছ, বরিশাল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক গৈতম বাড়ৈ, বিসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাইল হোসেন, সচিব মাসুমা বেগম, র্যাব, পুলিশ, আনসার এর শীর্ষ কর্মকর্তাবৃন্দ, নগরীর সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ, স্কুল কলেজ মাদ্রাসার প্রতিনিধিগন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি, কাউন্সিলরগন এবং গনমাধ্যম কর্মীরা।









































