বাকেরগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধার কাছে চাঁদা দাবি, সোহেল গাজী জেল হাজতে
ডিসেম্বর ০৫ ২০২২, ২০:৩৮
সংবাদদাতা,বাকেরগঞ্জ,বরিশাল।। বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দুধল ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা জি এম এ হাশেম নিজ এলাকায় জনসেবা মুলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে গেলে প্রতিপক্ষ কর্তৃক বাঁধা প্রদান, মারধর ও ভয়ভীতি প্রদানের মাধ্যমে চাঁদা দাবী করেন একই এলাকার সোহেল গাজী (৩৫)।
৫ ডিসেম্বর সোমবার দুপুরে বরিশাল বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী আদালত সোহেল গাজীকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে। বাকেরগঞ্জ থানায় এজাহার কৃত মামলায় উপজেলার দুধল ইউনিয়নের গোমা কৃষ্ণকাঠী এলাকার মৃত আঃ রশিদ গাজীর পুত্র সোহেল গাজী (৩৫),শাজাহান গাজীর পুত্র শাহাবুদ্দিন গাজী(৩৮) ও আহম্মেদ গাজীর পুত্র সেলিম গাজী(৪০) আজ বিজ্ঞ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদনের প্রার্থনা করলে আদালত সোহেল গাজীকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।
মামলার এজাহার ও সরেজমিনে জানাগেছে, উপজেলার দুধল ইউনিয়নের চরগোমা গাজিরহাট বাজার সংলগ্ন নিজের জমিতে মসজিদ,এতিমখানা ও মাদ্রাসার উন্নয়নমূলক কাজ করতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসেম গাজী, এলাকার গরীব খেটে খাওয়া মানুষের জন্য অনেক আগে নিজের জমিতে প্রতিষ্ঠা করেন মসজিদ,মাদ্রাসা,এতিমখানা। এখনো এলাকাবাসী নিয়ে যার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
মুক্তিযোদ্ধা হাসেম গাজী মাদ্রাসা মসজিদ ও এতিমখানার উন্নয়নমূলক কার্যক্রম ও সংস্কারের কাজ করতে এলে এলাকার উল্লেখিত সুবিধাভোগীরা এসে কমপ্লেক্সের সকল উন্নয়ন মূলক কার্যক্রম বন্ধকরে দেয়।
হাশেম গাজী জানান, আমি ব্যাবসার কাজে বেশীর ভাগ ঢাকায় থাকি মাদ্রাসা মসজিদ ও এতিমখানার উন্নয়নমূলক কাজ করা জরুরী বিধায় এলাকায় এসে সংস্করণের কাজে শুরু করলে আমার গ্রমের সোহেল গাজী, সেলিম গাজী, শাহাবুদ্দিন গাজী গং উন্নয়ন মূলক কাজে বাঁধা দেয় এবং আমার কাছে রশিদ গাজীর পুত্র সোহেল গাজী ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে চাঁদার টাকা না দিলে মেরে ফেলার হুমকী দেয় এবং স্থানীয় সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে কমপ্লেক্সের খালি জমির অনেক পুরনো গাছ কেটে নিয়ে যায় তিনি আরো জানান, এই চক্রটিকে আমি এর আগেও কয়েক লক্ষ টাকা দিয়েছি কিন্তু এখন আবার টাকা চাইলে টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় আমাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। চাঁদা না দেওয়ার কারণে বর্তমানে এতিমখানার উন্নয়নমূলক কাজ বন্ধ করে দিয়েছে চক্রটি।
আ/ মাহাদী
