হনুফার মৃত্যু: হচ্ছে না নতুন মামলা, আগের মামলায় হত্যা সংযোজন
আগস্ট ১৩ ২০২৬, ১৫:২২
মৃত হনুফা বাকেরগঞ্জ উপজেলার দুধল মৌ গ্রামের বাসিন্দা মৃত মো. শাহআলম হাওলাদারের স্ত্রী।
বরিশাল জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আলাউল হাসান বলেন, বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তার মৃত্যুর খবর জানতে পেরেছি। নিহত হনুফার জামাতা সুজনের মাধ্যমে তিনি মৃত্যুর বিষয়টি জানতে পেরেছেন। তবে মেয়ে ও নাতি সুস্থ রয়েছেন।
তিনি আরও জানান, হনুফা বেগমের লাশের ময়নাতদন্ত শাহবাগ থানা করবে। এ ঘটনায় বাকেরগঞ্জ থানায় করা মামলায় হত্যার ধারা সংযোজন করা হবে।
এর আগে গত ৩ আগস্ট সকাল ৬টার দিকে বাকেরগঞ্জ উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের দুধলমৌ গ্রামের শাহ আলম হাওলাদারের বাড়িতে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে শাহ আলমের স্ত্রী হনুফা বেগম, তার মেয়ে ইতি ও নাতি ফাহিম অগ্নিদগ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়।
বরিশাল বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তাদের ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়। ঘটনার পর হনুফার ছেলে জামাল হাওলাদার বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের আসামি করে বিস্ফোরক আইনে মামলা করে।
দুর্বৃত্তরা রহস্যজনক কারণে বিস্ফোরক ও পেট্রল মিশ্রিত বোমা দুধলমৌ গ্রামের জেলে মৃত শাহআলম হাওলাদের ঘরে পাশে রেখে যায়।
দগ্ধ ইতি ওই সময় জানিয়েছিলেন, বোনের ছেলে ফাহিম পায়ে ব্যথা পেয়েছে। সকালে তাকে ব্যায়াম করানোর জন্য বের হই। তখন ঘরের পাশে রশির সঙ্গে তিন প্যাকেট চিপস বাঁধা ছিল। চিপসের সোজা নিচে একটি নতুন বাজারের ব্যাগ ছিল। যেটি চিপসের সঙ্গে রশি দিয়ে বাঁধা। বিষয়টি দেখতে যাওয়ার সময় ইটের সঙ্গে আঘাত পেয়ে রশিতে হাত পড়ে। আর তখন কী জানি বিস্ফোরণ হয়ে আমিসহ বোনের ছেলে ও মায়ের শরীরে আগুন ধরে যায়। আগুন থেকে বাঁচতে আমরা নদীতে লাফ দেই।
