শহর থেকে গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন সড়ক এবং নিচু স্থানে পানি জমে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন আয়ের শ্রমজীবীরা। তবে এখনো উত্তাল রয়েছে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর।
আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ু চাপের তারতম্যের আধিক্যে বিরাজ করছে। এর প্রভাবে উপকূলীয় এলাকা দিয়ে ঝড়ো বা দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে এমন আশঙ্কায় দেশের চারটি সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা বহাল রেখেছে আবহাওয়া অফিস। পাশাপাশি নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
কলাপাড়া পৌর শহরের রিকশাচালক আব্দুল রহিম বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে বৃষ্টি থাকার করনে বাজারে মানুষের আনাগোনা কম। তাই আয় অনেকটা কমে গেছে।
টিয়াখালী ইউনিয়নের রব মিয় বলেন, এক টানা বৃষ্টিতে এলাকার সব আবাদি জমি পানিতে তলিয়ে আছে। অনেকের ঘরের উঠনে পানি উঠে গেছে।
একই গ্রামের কৃষক মো. জলিল হাওলাদার বলেল, এখন জমিতে বীজ ধান ফালানোর সময়। বিলে পানি থাকার তা সম্ভব হচ্ছে না। পানি না কমলে আমাদের দুর্ভোগের শেষ থাকবে না বলে এই কৃষক জানান ।
পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবা সুখী জানান, উপকূলীয় এলাকায় রবিবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। এরপর হয়তো আরও দুই-একদিন গুঁড়ি গুঁড়ি থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। যেকোন সময় ঝড়ো হওয়া বয়ে যেতে পারে।
