বরিশালে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা ॥ ক্রেতারা দামে অসন্তোষ
মার্চ ০৯ ২০২৬, ২১:৫১
“বরিশাল জেলা প্রশাসক খাইরুল আলম সুমন বলেছেন, ঈদ উপলক্ষে পোষাক মার্কেট নিয়ে আমরা সব সময়ই তৎপর আছি। তবে পোষাক মার্কেটে ক্রেতাদের অভিযোগ রয়েছে ব্যবসায়ীদের ক্রয়মূল্যর সাথে বিক্রয়মূল্যের সাথে অনেক তফাত নেই এবং অনেক গুলো ফ্যাশন হাউজের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তবে বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি”
আরিফ হোসেন ॥ পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে বরিশালে জমে উঠেছে ঈদ কেনাকাটা। প্রতি বছরের মতো এবছরও দেশীয় শাড়ি, থ্রিপিস ও পাঞ্জাবির চাহিদা সবচেয়ে বেশি। দেশীয় বুটিকস, হাতে কাজ করা শাড়ি, থ্রিপিস ও পাঞ্জাবির দোকানগুলোতে ভিড় বেশি দেখা যাচ্ছে।
এর পাশাপাশি বরিশালে নতুন নতুন সব নামি দামি পোশাক ও জুতার শোরুমে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে।
এরই মধ্যে কেনাকাটার চাপ বাড়তে শুরু করছেন। অন্য দিকে সন্ধ্যার পরে চকবাজার এলাকায় রিকশাসহ সকল যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয় ।
এতে স্বস্তিতে কেনাকাটা করতে পারছেন ক্রেতারা। নারী ক্রেতাদের কাছে ভারতীয় শাড়ির চাহিদাও রয়েছে। বরিশালে ঈদ উপলক্ষে দেশীয় শাড়ি, থ্রিপিস ও পাঞ্জাবি কিনতে বিপণী-বিতানগুলোতে বেশি ভিড় দেখা যাচ্ছে ১৬ রমজান থেকে। সরেজমিনে বিতানগুলোতে গিয়ে দেখা গেছে, ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন রং-বেরং-এর শাড়ি ও থ্রিপিস কিনতে নারীদের উপচে পড়া ভিড়।
একই সাথে পাঞ্জাবির দোকানগুলোতেও ভিড় লক্ষণীয়। এছাড়া ছেলেদের পাঞ্জাবি ছাড়াও শার্ট, গেঞ্জি, জিন্স প্যান্ট, গ্যাবাডিং, ইন্ডিয়ান সুলতাল পাঞ্জাবি কিনতে ভিড় বাড়ছে। তবে গত বছরের চেয়ে এবছর পোশাকসহ সকল পণ্যের দাম বেশি বেলে দাবি করেছেন ক্রেতারা। তারা বলছেন, কোন পোশাক পছন্দ হলেই নিতে পারছেনা তারা। কারণ দামের সাথে বাজেট না মেলায় কেনা সম্ভব হচ্ছেনা। আর বিক্রেতারা দামের বিষয়টি শিকার করে বলছেন, এ বছর দ্রব্যমূল্যের দামে সবাই দিশেহারা। সেই তুলনায় জামা, জুতাসহ সব কিছুর দামই একটু বেশি। তবে সাদ আর সাধ্যের মধ্যেই বিক্রি করার চেষ্টা করছেন তারা।
নগরীর চক-বাজার বিপণী-বিতানগুলোতে দেশীয় শাড়ি ক্রয় করতে আসা গৃহিণী জেসমিন আক্তার বলেন, আসন্ন পবিত্র ঈদুল-ফিতরকে কেন্দ্র করে আনন্দের কোন কমতি নেই তাদের মাঝে। তারপরও দাম সহনীয় আর পছন্দের শাড়ি কিনতে পেরে খুশি তারা।
চকবাজার মার্কেটে আশা বিথি আক্তার বলেন, বাঙালির যেকোনো উৎসবে নারীর প্রথম পছন্দ শাড়ি ও থ্রিপিস। আর ঈদ উপলক্ষে তো শাড়ি বা থ্রিপিস চাই-ই-চাই। ঈদে শাড়ি আর পাঞ্জাবির আবেদন কোন দিন শেষ হয়ে যাবে না। এবারের ঈদেও এ দুইটি পোশাকই প্রাধান্য পেয়েছে।
নগরীর আড়ং ফ্যাশনে পাঞ্জাবি কিনতে আসা তানভীর বলেন, ঈদে পাঞ্জাবি কেনেন না, এমন পুরুষ নেই। পাঞ্জাবির ডিজাইন, ফেব্রিক আর কাটে নানা রকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা হচ্ছে। সুতি পাঞ্জাবির চাহিদাই সব চেয়ে বেশি। এক রঙা পাঞ্জাবির গলায় ও হাতায় ডিজাইন দেখে বাবার জন্য দুটি পাঞ্জাবি কিনেছি।
এখন আমার জন্য দেখছি।
