মেঘনার অভয়াশ্রমে মাছ শিকার॥ ২৪ জেলেকে জরিমানা
মার্চ ০৪ ২০২৬, ২২:১৪
বরিশাল ॥
মা ইলিশ রক্ষায় চলমান দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বরিশালের হিজলা উপজেলা প্রশাসন ও জেলা মৎস্য বিভাগ। এরই ধারাবাহিকতা হিসেবে মেঘনা অভয়াশ্রম ও শাখা নদী গুলোতে কঠোর অবস্থানে থেকে অভিযান চালাচ্ছে মৎস্য অধিদপ্তরের উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম।
সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আলমের অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে বরিশালে জেলায় দিন দিন ইলিশের প্রজনন বাড়ছে। শুধু তাই অসাধু জেলেদের কাছে আতঙ্কর নাম হলেন এই মৎস্য কর্মকতা। তিনি তার একর পর এক তার কর্মদক্ষতার প্রমান দিয়ে যাচ্ছে।
চলমান জাটকা ইলিশ রক্ষায় সরকারী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বরিশালের মেঘনা নদীর অভয়াশ্রমে কারেন্ট জাল দিয়ে জাটকা ইলিশ মাছ শিকারের দায়ে ২৪ জেলেকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (৪ মার্চ) মেঘনার অভয়াশ্রম সহ আশপাশের নদীতে অভিযান পরিচালনা করে আটকৃত ২৪ জেলেকে জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী হাকিম ও হিজলা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভ্র জ্যোতি বড়াল।
এর আগে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত হিজলা উপজেলা মৎস্য বিভাগ ও নৌ-পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।
জরিমানা প্রপাপ্ত জেলেরা হলেন- বশির আকন, নাজমুল, আরিফ হোসেন, সাইদুল ঢালী, ফরিদ সরদার, মো. শাহীন, মোহাম্মদ আলী, দেলোয়ার হোসেন, মো. সোহাগ, সাগর হোসেন হাওলাদার, ইয়াছিন মোল্লা, খলিলুর রহমান, আবু হানিফ, বাবুল হোসেন, মো. হারুন, মো. নাইম, মো. সবুজ, নজরুল ইসলাম, মো. রাকিব, মো. সজিব, মো. বাকের ঢালী, মো. মনির, বাকের বিশ্বাস ও আজাদ।
বুধবার রাতে হিজলা উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম বলেন, “জাটকা ইলিশ রক্ষায় বর্তমানে মেঘনা নদীর ৮২ কিলোমিটার এলাকা অভয়াশ্রম হিসেবে মাছ শিকার নিষিদ্ধ রয়েছে।
ওই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মেঘনা নদীতে মাছ শিকাররত অবস্থায় ২৪ জেলেকে আটক করা হয়।
এ সময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ৫৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল। পরে আটকদের মধ্যে ১৭ জনকে দুই হাজার করে এবং বাকিদের এক হাজার টাকা করে মোট ৪১ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
পরে জেলেরা মুচলেকা ও জরিমানা দিয়ে মুক্ত হয়েছে। এছাড়াও উদ্ধার করা কারেন্ট জাল পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।
