বরগুনায় ৯ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
ফেব্রুয়ারি ১৪ ২০২৬, ২০:৪০
বরগুনা প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনার দুইটি সংসদীয় আসনে ভোটের লড়াইয়ে অংশ নেওয়া ১৩ জন প্রার্থীর মধ্যে ৯ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। বরগুনা রিটার্নিং কর্মকর্তার স্বাক্ষরিত ফলাফল সিট থেকে এ তথ্য জানা যায়।
বরগুনা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচনি আইন অনুযায়ী প্রার্থীদের ট্রেজারি চালান, তফসিলি ব্যাংকের পেঅর্ডার অথবা পোস্টাল অর্ডারের মাধ্যমে ২৫ হাজার টাকা জামানত হিসেবে জমা দিতে হয়। কোনো প্রার্থী তার আসনে প্রদত্ত মোট ভোটের ন্যূনতম সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট পেলে জামানত ফেরত পান। অন্যথায় তা বাজেয়াপ্ত হয়ে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হয়।
বরগুনা-১ (সদর, আমতলী, তালতলী) আসনে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। মোট ২ লাখ ৮৮ হাজার ৪৫১ ভোট পড়েছে। সাড়ে ১২ শতাংশ হিসেবে জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল ৩৬ হাজার ৫৬ ভোট। তবে জাতীয় পার্টির প্রার্থী জামাল হোসাইন পান ৯৮১ ভোট এবং খেলাফত মজলিসের প্রার্থী জাহাঙ্গীর হোসাইন পান ৬ হাজার ২৩২ ভোট। নির্ধারিত ভোটের কম পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরগুনা-২ (বামনা, বেতাগী, পাথরঘাটা) আসনে নয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। মোট ১ লাখ ৯৮ হাজার ১২১ ভোট পড়েছে। সাড়ে ১২ শতাংশ হিসেবে জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল ২৪ হাজার ৭৬৫ ভোট। তবে জাতীয় পার্টির প্রার্থী আব্দুল লতিফ ফরাজী পান ১ হাজার ২৪৮ ভোট, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. কামরুজ্জামান লিটন পান ১১৫ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান পান ১৬ হাজার ৪৬৩ ভোট, বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী মো. সাব্বির আহমেদ পান ২১৯ ভোট, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির প্রার্থী মো. সোলায়মান পান ৯৫ ভোট, এনডিএমের প্রার্থী সৈয়দ মো. নাজেস আফরোজ পান ২৯৪ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী রাশেদ উদ জামান পান ২৯৮ ভোট। আইন অনুযায়ী এ সাতজন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরগুনা জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তার জানান, নির্ধারিত ভোটের কম পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের জামানতের অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হয়েছে।
