
জেলে সূত্রে জানা গেছে, ইলিশগুলো গত ২৯ অক্টোবর কুয়াকাটা উপকূল থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার গভীর সমুদ্রে ধরা পড়ে। বরগুনার পাথরঘাটা থেকে যাত্রা করা এফবি সাফওয়ান-৩ নামের ট্রলারটিতে ছিলেন ১৯ জন জেলে। বিকেলেই জাল ফেলতে না ফেলতেই জালে ধরা পড়ে বিপুল পরিমাণ ইলিশ।
ট্রলারের মাঝি রুবেল জানান, আমরা ২৯ অক্টোবর সাগরে যাই। বিকেলে জাল ফেলতেই দেখি জাল ভর্তি ইলিশ। ট্রলারের তিনটি কল একেবারে পূর্ণ হয়ে যায়। এত বেশি মাছ উঠেছিল যে শেষ দিকে জালসহ কিছু মাছ কেটে ফেলতে হয়েছে। আমার ১৭ বছরের জীবনে একসঙ্গে এত ইলিশ কোনো দিন পাইনি। আলহামদুলিল্লাহ, আমরা সবাই খুব খুশি।
![]()
ট্রলারের মালিক মানিক মিয়া বলেন, অনেক দিন ধরেই সাগরে মাছ পাওয়া যাচ্ছিল না, লোকসান গুনতে হচ্ছিল। এবার এই ইলিশ বিক্রির টাকায় আগের ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।
![]()
আড়ৎদার মোস্তফা আলম জানান, আমার আড়তে গত ১০ বছরে একসঙ্গে এত ইলিশ বিক্রি হয়নি। সাগরে ট্রলিং বন্ধ থাকার কারণে এবার জেলেরা প্রচুর মাছ পেয়েছেন।
![]()
বরগুনা জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, ২২ দিনের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর জেলেরা সাগরে গিয়েই এমন সাফল্য পেয়েছে—এটা সত্যিই আনন্দের বিষয়। দীর্ঘদিন পর বিএফডিসিতে কাঙ্ক্ষিত ইলিশের দেখা মিলেছে।
