সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, বড়মানিকা ইউনিয়ন বিএনপির ৫নং ওয়ার্ড সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির নিজ হাতে ওই নারীর গলায় জুতার মালা পরিয়ে দেন। এ সময় আরও ২০-২৫ জন উপস্থিত থেকে ভিডিও ধারণ এবং মাথার চুল কাটতে অংশ নেন।
স্থানীয়রা জানান, পরকীয়ার অভিযোগে শাস্তি দেওয়ার নামে ওই নারীকে এভাবে নির্যাতন করা হয়। তবে অনেকে এটিকে বিচারবহির্ভূত নির্যাতন বলে নিন্দা জানিয়েছেন।
মানবাধিকারকর্মীরাও বলেন, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের ঘটনা সমাজে নারী নির্যাতনের প্রবণতা বাড়াতে পারে।
অভিযুক্ত ওয়ার্ড সভাপতি হুমায়ুন কবির ঘটনাটি স্বীকার করে বলেন, “ওরা বহুদিন ধরেই অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত। কয়েক মাস আগেও হাতেনাতে ধরা পড়েছিল। তাই এবার বিচার করেছি ও চুল কেটে জুতার মালা দিয়েছি। এরপর তাদের বিয়ে হবে।”
বোরহানউদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ছিদ্দিকুর রহমান জানান, ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মঞ্জুর মোর্শেদ আলম বলেন, “ঘটনার সঙ্গে জড়িত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অন্য আসামিদেরও শিগগিরই গ্রেপ্তার করা হবে।”
