পুলিশ জানান, সিরাজুল ইসলাম খান দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে রাজপাশা গ্রামের নিজ বাড়িতে একা বসবাস করছিলেন। তিনি পেশায় দিনমজুর ছিলেন এবং মাদকাসক্ত হিসেবে এলাকায় পরিচিত ছিলেন। কয়েক মাস আগে এজমালি সম্পত্তির গাছ বিক্রি নিয়ে তার বড় ভাই সোহরাব হোসেনের সঙ্গে বিরোধ হয়। এ নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে অভিযোগ করেন তার বড় ভাই সোহরাব।
রোববার বিকেলে ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ সাহাগির হোসেন অভিযোগের নোটিশ নিয়ে তার ঘরে গেলে ভেতর থেকে দুর্গন্ধ পেয়ে স্থানীয়দের ডাকেন এবং ঝালকাঠি সদর থানা পুলিশকে খবর দেন। পরে দরজা ভেঙে ঘরের মেঝেতে চিত হয়ে থাকা অবস্থায় সিরাজুল ইসলামের গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে ঝালকাঠি সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই এবং মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে অতিরিক্ত মাদক সেবনের কারণে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা যাবে।
