তবে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকার পতনের পর বরিশাল বাস র্টামিনালসহ পরিবহন সেক্টরের সব গুলোতে আসছে পরিবর্তন। শুধু তাই নয় পরিবর্তন এসেছে বরিশাল আলফা-মাহেন্দ্রা শ্রমিক ইউনিয়নের কমিটিতেও।
আলফা-মাহেন্দ্রা শ্রমিক ইউনিয়নের পদ পরির্বতনের পরই ইউনিয়নের একটি গ্রুপ দখল করতে শুধু করে পথচারীদের চলাচল করার পথও।
বুধবার (১৪ নভেম্বর) এমনই একটি চিত্র দেখা গেছে আলফা-মাহেন্দ্রা শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যলয়ের পাশে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দোকানদার বলে, আগে আলফা-মাহেন্দ্রা শ্রমিক ইউনিয়নের পাশে থাকা মানুষের চলাচলের পথ দখল করে ছোট ছোট চায়ের দোকান বসিয়ে প্রতিদিন ভাড়া নিতো আওয়ামী লীগের কিছু লোক। কিন্তু সরকার পতনের পর এখন সেই জায়গায় চায়ের দোকান বসিয়ে ভাড়া তুলছে শ্রমিকদলের নেতা পরিচয়ে কিছু লোক। আমরা আগেও চাঁদা দিয়ে ব্যবসা করতাম এখন দেশ নতুন করে স্বাধীন হওয়ার পরও শ্রমিকদলের কিছু লোককে চাঁদা দিয়ে ব্যবসা করতে হচ্ছে।
যাত্রী সাধারণের অভিযোগ, এখানে চলাচলের পথ আছে কিন্তু তা পথচারীদের জন্য নয়। ভাড়ায় চলে। চায়ের দোকান বসেছে। তাই যাত্রী সাধারণ এখানে দাঁড়ানোর সুযোগও নিতে পারেন না।
আলফা-মাহেন্দ্রা শ্রমিক ইউনিয়নের পাশে জেলা পরিষদের কাছ থেকে লিজ নেওয়া দোকান মালিক সিরাজুল ইসলাম বাচ্চুর কাছে পথচারীদের চলাচলের পথ ও তার দোকানের সামনের জায়গা দখল করে কেন চায়ের দোকান বসানো হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভাই জেলা পরিষদের কাছ থেকে লিজ নিয়ে র্দীঘ দিন ধরে ব্যবসা করে আসছি। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ঠিক মত ব্যবসা করতে পারিনি। কারন আমি বিএনপির কর্মী বলে।
তিনি আরও বলেন, আমি বিএনপির কর্মী ছিলাম তাই আমার দোকানে সামনে একটি চায়ের দোকান বসিয়েছিলো পরে তার আমি উঠিয়ে দিয়েছে। কিন্তু নতুন করে একই স্থানে আলফা-মাহেন্দ্রা শ্রমিক ইউনিয়নের কিছু লোক জোর করে একটি চায়ের দোকান বসিয়েছে। শুধু তাই নয় এই চায়ের দোকানটির কারনে যেমন আমার ব্যবসার ক্ষতি হয়। ঠিক তেমনই প্রতিদিন হাজারোও পথচারী চলাচল করতে ভোগান্তি হচ্ছে। তাই প্রশাসনের কাছে আমার দাবি এই অবৈধ দোকানটি এখান থেকে সরিয়ে অন্য কোন স্থানে বসানো হোক।
এবিষয়ে জানতে চাইলে মহানগর আলফা-মাহেন্দ্রা শ্রমিক ইউনিয়ন ও আলফা-মাহেন্দ্রা শ্রমিক দলের সভাপতি লিটু কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভাই যে চায়ের দোকানটি বসানো হয়েছে সেটি আমাদের ইউনিয়নের নামে লিজ নেওয়া সম্পত্তিতে। আর যে লোক লোকটি চা বিক্রি করেন সে ইউনিয়েনর শ্রমিক। দূঘটনায় শারিলিক প্রতিবন্ধী হওয়ার কারনে কোন কাজ কর্ম করতে পারে না।
এবং কি তার সংসারও চলে না বর্তমানে। তাই আমরাদের কাছে আসার পরে আমারা ইউনিয়নের পাশে দোকানটি বসিয়ে দিয়েছি। তিনি আরো বলেন, আলফা-মাহেন্দ্রা শ্রমিক দলে পরিচয় দিয়ে কেউ চাঁদাবাজি করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিষয়টি নিয়ে বরিশাল মহানগর শ্রমিক দলের আহবায়ক ফয়েজ আহম্মেদ খানের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, পথচারীদের চলাচলের পথ দখল করে কে বা কারা দোকান বসিয়েছে বিষয়টি আমি আবগত না। তবে কেউ যদি শ্রমিক দলের পরিচয় দিয়ে কোন অর্পকম বা দখল বানিজ্যর সাথে জড়িত থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।