পাকিস্তানে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ভারী বর্ষণে নিহত বেড়ে ২৮, আহত ১৪৫
জুন ১১ ২০২৩, ১১:৪১
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: পাকিস্তানে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের খাইবার পাখতুনখাওয়া এবং পাঞ্জাব প্রদেশে ভারী বর্ষণের কারণে মৃত্যু বেড়ে ২৮ জনে দাঁড়িয়েছে।
আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৪৫ জন। শনিবার (১০ জুন) পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ঝড়-বৃষ্টির কারণে প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন এবং কর্তৃপক্ষকে ত্রাণ কার্যক্রমের গতি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন। খবর আল জাজিরা।
খাইবার পাখতুনখাওয়ার প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানায়, মুষলধারে বৃষ্টিতে ঘরবাড়ি ধসে পড়ার পর এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। প্রদেশের চারটি জেলায় অন্তত ২৫ জন নিহত হয়েছে। ৬৯টি বাড়ি আংশিক ধ্বংস হয়েছে।
এছাড়া উপড়ে পড়া গাছ বৈদ্যুতিক ট্রান্সমিশন টাওয়ারে ভেঙে পড়াসহ বৃষ্টি সংক্রান্ত নানা ঘটনায় আরও ১৪৫ জন আহত হয়েছেন।
আল জাজিরার তথ্যমতে, ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার (ঘণ্টায় ৯৩ মাইল) বেগে বাতাসের গতিবেগসহ ‘গুরুতর এবং তীব্র’ এই ঘূর্ণিঝড়টি দেশের দক্ষিণ দিকে এগিয়ে আসছে।
শনিবার ঘূর্ণিঝড়টি দক্ষিণ করাচি থেকে ৯১০ কিলোমিটার, দক্ষিণ ঠাট্টা থেকে ৮৯০ কিলোমিটার এবং ওরমারা থেকে ৯৯০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিল।
বর্তমানে যে আবহাওয়া বিরাজ করছে তাতে এটি ঘূর্ণিঝড়টিকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে। তবে ঘূর্ণিঝড়টি ঠিক কোথায় আঘাত হানবে সেটি এখনও নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না বলে শনিবারের সতর্ক বার্তায় জানানো হয়।
এদিকে, ঘূর্ণিঝড় ‘বিপর্যয়ের’ সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে এখন থেকেই সতর্কতা অবলম্বন শুরু করেছে পাকিস্তান। এর অংশ হিসেবে দেশটির বন্দরনগরী করাচিতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।
করাচির সব সমুদ্র সৈকতে সাধারণ মানুষের প্রবেশ ও বিচরণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আরব সাগর থেকে ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয় করাচি উপকূলে এগিয়ে আসায় শেহবাজ শরিফ কর্মকর্তাদের জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
