নিজস্ব প্রতিবেদক : আজ থেকে কমিটি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। নতুন কমিটি গঠন হবে। তার জন্য নির্বাচন কমিশনও আমরা গঠন করেছি। সেই নির্বাচন কমিশন বসবে এবং নাম প্রস্তাব হবে এবং সেখানে নতুন নেতৃত্ব আসবে।
সর্বশেষ জাতীয় সম্মেলন হয়েছিল ২০১৯ সালের ২০ ও ২১ ডিসেম্বর। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, বর্তমান কমিটির তিন বছরের মেয়াদ শেষ হয়েছে চলতি বছরের ১৯ ডিসেম্বর। গত ২৮ অক্টোবর দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে ২৪ ডিসেম্বর ২২তম জাতীয় সম্মেলনের তারিখ চূড়ান্ত হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আজ থেকে আমাদের বিদায়, নতুন নেতৃত্ব আসুক সেটাই আমি চাই। টানা তিন মেয়াদে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে বলেই দেশকে উন্নয়নের পথে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়েছে, বলেন প্রধানমন্ত্রী।
১৯৯৬ সালে প্রথমবারের মতো সরকার গঠন করে দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার আওয়ামী লীগের অবদান তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তবে ২০০১ সালের নির্বাচনে হেরে যাওয়ার বিশদ বিবরণ না দিলেও দিয়েছেন ইঙ্গিত।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে এতটুকু স্বার্থ আমার জীবন থাকতে নষ্ট হবে না। কারও হাতে তুলে দেব না। আমার এই প্রতিজ্ঞাই ছিল। হয়তো সে কারণে আমরা আবার আসতে পারিনি। তাতে আমার কোনো আফসোস নেই।
এদিকে, গত চার দশক ধরে আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। সভাপতির পর সাধারণ সম্পাদকই দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। টানা দুই মেয়াদে সাধারণ সম্পাদক পদে আছেন ওবায়দুল কাদের। সম্মেলন সামনে রেখে তিনি গত দুই মাস জেলায় জেলায় দলীয় কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন।
