শেখ ইনানের বাড়িতে উৎসবের আমেজ
ডিসেম্বর ২১ ২০২২, ২০:৩৪
নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সংসদের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন সাবেক কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক বরিশালের সন্তান শেখ ওয়ালি আসিফ ইনান। মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) রাতে সাদ্দাম হোসেনকে সভাপতি ও ওয়ালি আসিফ ইনানকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
বরিশালের সন্তান শেখ ওয়ালি আসিফ ইনান সাধারন সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হওয়ায় জেলাজুড়ে চলছে আনন্দ উৎসব। বুধবার সকাল থেকে বরিশাল নগরীর তার বাসায় আত্মিয়-স্বজন ও এলাকাবাসিরা ছুটে আসেন।
পরে তার পরিবারের পক্ষ থেকে সকলকে মিষ্টি মুখ করানো হয়। বাংলাদেশ ছাত্রলীগে যোগ্য নেতৃত্ব এসেছে বলে মনে করছেন পরিবারের সদস্যরা। বরিশাল থেকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের দ্বায়িত্ব দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান পরিবারের সদস্যরা সহ এলাকাবাসী।
শেখ ইনানের মা হাসিনা বেগম বলেন, ‘সব সময়ই চেয়েছি আমার ছেলে যাই করুক যেন ভালো কিছু করে। তাকে এতো বড় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এজন্য আমরা অনেক খুশি। আশা করছি ইনান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা মতো সব সময় ভালো কাজগুলো করবে।’
শেখ ইনানের ঘনিষ্ঠজন চাঁন আকন বলেন,’বরিশালের কৃতি সন্তান শেখ ইনান বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক হয়ে সারা বাংলার ছাত্রসমাজকে নেতৃত্ব দিবেন এটি আমাদের বরিশালবাসীর জন্য অনেক বড় আনন্দের বিষয়। এভাবেই তিনি ভবিষ্যতে জাতীয় রাজনীতিতেও নেতৃত্বে দিবেন এটি আমাদের সকলের প্রত্যাশা।’
শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হয়ে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর শেষ করেন। তিনি প্রথম স্যার এ এফ রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে পড়াশুনা এবং ছাত্ররাজনীতি শুরু করে। পরে ২০১৩ সালে বিজয় ৭১ হল প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় সেখানে স্থানান্তর হন। পরবর্তীতে সে বছরেই মনোনীত হন বিজয় একাত্তর হল ছাত্রলীগের প্রথম সভাপতি। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হলের আবাসিক শিক্ষার্থী।।
তার বাড়ি বরিশাল নগরীর জর্ডন রোডে। বাবার নাম শেখ আবদুর রব, তিনি বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন এবং মায়ের নাম হাসিনা বেগম। বরিশাল জিলা স্কুল থেকে এসএসসি এবং সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন ইনান।
শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান ছাত্রলীগের বিদায়ী কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। এর আগে তিনি স্যার এ এফ রহমান হল ছাত্রলীগের কর্মী এবং পরবর্তীতে বিজয় একাত্তর হল প্রতিষ্ঠা হলে সেখানে স্থানান্তরিত হয়। সেইসাথে দায়িত্বপালন করেন বিজয় একাত্তর হলের প্রতিষ্ঠানকালীন ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে। দায়িত্ব পালনকালে হল ছাত্রলীগকে সু-সংগঠিত করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্যও কাজ করেন এই ছাত্রনেতা। ক্যাম্পাসে ক্লিন ইমেজের ছাত্রনেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন তিনি।
