ভোলায় কমছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পন্যের দাম, স্বস্তি ক্রেতাদের মাঝে

ফেব্রুয়ারি ২৩ ২০২৬, ২০:৫৪

ভোলা প্রতিনিধি : পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ভোলার বাজারে গুলোতে জমে উঠেছে বেচা-কেনার ধুম। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ব্যস্ততা। রোজাকে সামনে রেখে সব পেশার মানুষ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে ভিড় করছেন বাজারে।

রমজানের শুরুতে নিত্যপণ্যের দাম কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও বর্তমানে বাজারে স্বস্তির আভাস মিলছে। তরি-তরকারিসহ অধিকাংশ পণ্যের দাম কমতে শুরু করায় স্বস্তি প্রকাশ করছেন সাধারণ ক্রেতারা। তাদের অভিযোগ, রোজার শুরুতে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত দাম বাড়িয়ে সাধারণ মানুষকে চাপে ফেলেন। এতে অনেকেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে হিমশিম খেতে বাধ্য হন। তবে বর্তমানে দাম কমায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে বাজারে।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারী) ভোলার বাজার গুলোতে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকা, খাসির মাংস ১০০০ টাকা, দেশি মুরগি ৬৫০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা, ব্রয়লার ১৯০ টাকা এবং দেশি হাঁস ৬০০ টাকা দরে। এছাড়া কাঁচা ভোগ্যপণ্যের দামেও এসেছে স্বস্তি। ৫ কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়, পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৬০ টাকা, বেগুন ৩০ থেকে ৪০ টাকা, টমেটো ৩০ টাকা, শসা ৪০ টাকা, লেবুর হালি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ছোলা ৮০ টাকা এবং ডিমের হালি ৩৬ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে খেজুর আকারভেদে ২৫০ টাকা থেকে শুরু করে ২০০০ টাকা পর্যন্ত দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের কৃত্রিম সংকট দেখা দিয়েছে। বোতলজাত সয়াবিন তেল পাওয়া যাচ্ছে না। খোলা সয়াবিন তেলের দামও কিছুটা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা।

ভোলার কাঁচা বাজারে বাজার করতে আসা ক্রেতা রিয়াজ হোসেন জানান, রোজার শুরুতে লেবুর হালি ৮০ টাকা থেকে ১০০ টাকা হওয়ায় কিনতে পারিনি। আজ বাজারে এসে দেখলাম লেবুসহ সকল কাঁচা তরকারির দাম অনেক কমেছে। এখন লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, রমজানের শুরুতে দাম কিছুটা বাড়লেও বর্তমানে বাজার দর অনেকটা কমেছে। কাঁচা বাজারের প্রতিটি পন্যের কেজি প্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা পযন্ত কমেছে। দাম কমায় ক্রেতারা যেমন স্বস্তি পাচ্ছেন, তেমনি বিক্রেতারাও সন্তুষ্ট। ফলে রমজানকে ঘিরে বাজারে ফিরেছে স্বস্তি।

তবে সাধারণ মানুষের দাবী, বাজারদরের এই নিম্নমুখী ধারা যেন অব্যাহত থাকে। তারা প্রশাসনের নিয়মিত বাজার মনিটরিং জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে রমজান মাসে জনসাধারণের দুর্ভোগ কমে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পন্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকে।

জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান বলেন, ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় নিয়মিত মনিটরিংসহ প্রশাসনের তদারকি কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। তিনি ব্যবসায়ীদের ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রির আহ্বান জানান এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি দেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন....

আমাদের ফেসবুক পাতা

আজকের আবহাওয়া

পুরাতন সংবাদ খুঁজুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭  

এক্সক্লুসিভ আরও